রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলারোয়ায় নকল-ভেজাল ঔষধ বিক্রয় না করা প্রসঙ্গে জনসচেতনামূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় নকল-ভেজাল ঔষধ বিক্রয় না করা প্রসঙ্গে জনসচেতনামূলক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নকল, ভেজাল, রেজিস্ট্রেশনবিহীন এবং নিম্নমানের ঔষধ বিক্রয় না করা প্রসঙ্গে জনসচেতনামূলক সভা ও বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্যামিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি (বিসিডিএস) এর কলারোয়া উপজেলা শাখা ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।

উপজেলা বিসিডিএসের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিসিডিএসের সভাপতি আলহাজ্ব দ্বীন আলী ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাতক্ষীরার পরিচালক বাশারাফ হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কলারোয়া থানার ওসি এইচএম শাহীন, উপজেলা বিসিডিএসের প্রাক্তন সভাপতি শামসুর রহমান, কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, এনটিভি অনলাইনের কেএম আনিসুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের আরিফ মাহমুদ, কালবেলার জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল ও উপজেলা ফারিয়ার সভাপতি মুসা কারিমুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে শেখ আক্তারুজ্জামান, শিহাব উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলা বিসিডিএসের নেতৃবৃন্দ ও ঔষধ ব্যবসায়ীরা বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইনকিলাবের সাংবাদিক জাকির হোসেন।
বক্তারা ঔষধ বিক্রয় ও বিপণনে সচেতনতা, এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা এবং এ সংক্রান্ত নানান বিষয়ে আলোকপাত করেন।

পরে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

 

 

 

 

Ads small one

চলে গেলেন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান গদাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
চলে গেলেন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান গদাই

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধের দুঃসাহসী নায়ক আতিয়ার রহমান গদাই আর নেই। রবিবার সকাল ছয়টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়াস্থ নিজস্ব বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

 

মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর বড় ছেলে তাহজ্জত হোসেন হিরু একজন ব্যাংক কর্মকর্তা, মেজো ছেলে সাহাদাৎ হোসেন হিরু বিসিএস ক্যাডার (আনসার ব্যাটালিয়ন কমান্ডার) এবং ছোট ছেলে মিথুন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। বাদ আসর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারুলিয়ার মৃত এজাহার আলী সরদারের কনিষ্ঠ পুত্র আতিয়ার রহমান এলাকায় ‘গদাই’ নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা এই মানুষটি আজীবন সাধারণ জীবনযাপন করেছেন এবং দানশীলতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন। তরুণ বয়স থেকেই অভাবী ও অসহায় মানুষকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া ছিল তাঁর মানবিক স্বভাব।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা ও দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল বারী মোল্ল্যা গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “গদাই চাচা ছিলেন অসীম সাহসী ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এক বজ্রকঠিন ব্যক্তিত্ব। ১৯৭১ সালে দেশের টানে কাউকে না জানিয়ে আমাদের নিয়ে তিনি সীমান্ত পাড়ি দেন এবং ভারতের বিহার, দেরাদুন ও হাবলঙে প্রশিক্ষণ নেন। সাতক্ষীরা ও দেবহাটার একাধিক সম্মুখ যুদ্ধে তিনি জীবনপণ লড়েছেন। একবার যুদ্ধের মাঠে গুলি ফুরিয়ে গেলে তিনি এক পাকিস্তানি সেনাকে অস্ত্রসহ জাপটে ধরে বন্দি করেছিলেন। তাঁর এই বীরত্ব বহু মুক্তিযোদ্ধার প্রাণ বাঁচিয়েছিল।”

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আতিয়ার রহমান গদাই জাসদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি বীর উত্তম মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রব এবং তাত্ত্বিক নেতা সিরাজুল আলম খানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সাতক্ষীরায় ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের সহযোগী হিসেবে জাসদ গঠনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং সমাজতান্ত্রিক ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হন।

 

রাজনৈতিক কারণে একাত্তর-পরবর্তী বিভিন্ন সরকারের সময়ে তিনি নানাভাবে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকারও হয়েছিলেন। এই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রয়াণে স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনগুলো গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

 

কয়রার ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কয়রার ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ, দলের অব্যাহতিপ্রাপ্ত এক নেতার স্থায়ী বহিষ্কার এবং খুলনা জেলা ছাত্রদলের কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরার কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রদল।

 

রবিবার বিকেলে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে কপোতাক্ষ কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মধুর মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফ বিল্লাহ সবুজ, সদস্যসচিব মো. মাহমুদ হাসান, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন, মামুন হোসেন, তাজমিরুল, ইয়াসিন আরাফাত, কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি তামিম আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল, খান সাহেব কোমরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি নূর আলম, কয়রা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাশরাফি আজাদ, মহারাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান, বেদকাশি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন এবং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়েজকুরনি প্রমুখ।

সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ টাকার মালামাল আটক করল বিজিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ টাকার মালামাল আটক করল বিজিবি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও গাঁজা আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ২৪ মে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি ও ক্যাম্পের সদস্যরা এই চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভোমরা বিওপির একটি দল সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি এলাকা থেকে ১,৭৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় গাঁজা জব্দ করে। অন্যদিকে, মাদরা বিওপির সদস্যরা কলারোয়া থানার উত্তর ভাদিয়ালী এলাকা থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের এবং হিজলদী বিওপির সদস্যরা বড়ালি এলাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেন। এছাড়া ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের একটি দল কলারোয়ার আইচপাড়া এলাকা থেকে আরও ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০০ টাকার মোবাইল পার্টস উদ্ধার করে।

জব্দকৃত চোরাচালানি মালামালের মোট মূল্য ৫ লাখ ৬৪,৯৫০ টাকা। বিজিবি জানায়, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মালামাল অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল। এ ধরনের চোরাচালানের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে।