মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় মব সৃষ্টি করে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম, ক্লাসে শ্লীলতাহানির প্রমান মেলেনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মব সৃষ্টি করে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম, ক্লাসে শ্লীলতাহানির প্রমান মেলেনি

পত্রদূত রিপোর্ট: সপ্তম শ্রেণীতে অংকের ক্লাস চলাকালে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শিক্ষককে শ্রেণীকক্ষে চপেটাঘাত ও দ্বিতীয় দফায় শিক্ষকদের কক্ষে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। মব সৃষ্টিকারিদের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে থানায় টেলিফোন করে ওই শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩৮ নং ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার ইন্দিরা গ্রামে গেলে ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীর অভিভাবক এক চা বিক্রেতা জানান, ঈদের ছুটির পর গত রবিবার ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে সপ্তম শ্রেণীর অংকের ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান। একটি অংক বোর্ডে করতে দেন তিনি। অংক করে শিক্ষকের টেবিলে জমা দেয় শিক্ষার্থীরা।

 

তার মেয়ের খাতা তিনবার বলার পর বেঞ্চে এসে ফেরৎ দেওয়ার সময় ওই শিক্ষক তার মেয়ের শ্লীলতাহানি করে। বিষয়টি সোমবার বিকেল সোয়া তিনটায় বাড়িতে এসে তার মাকে অবহিত করলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদারকে অবহিত করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে কোন গুরুত্ব না দেওয়ায় স্থানীয়দের সাথে নিয়ে সকাল ১০টার দিকে তিনি ওই বিদ্যালয়ে যান তিনি।

 

সপ্তম শ্রেণীর ক্লাস নেওয়ার সময় ওই শিক্ষককে তিনি কয়েকটি চড় মারেন। পরে স্থানীয়রা শিক্ষক রুমে ঢুকে ওই শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ভারী জিনিস দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষকম-লী ওই শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তবে বিষয়টি স্থানীয় আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কবীর হোসেন মিলন দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত বছর পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার পর ওই শিক্ষার্থীর পিতা চলতি বছরে তার মেয়েকে পাশর্^বর্তী আবাদেরহাট বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ছোট মেয়ে ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার কোন সমস্যা না হলে বড় মেয়েকে আজ বা কালের মধ্যে অন্যত্র ভর্তি করাবেন। তবে তার মেয়ের সাথে কথা বলতে চাইলে আপত্তি করেন তিনি।

এদিকে মঙ্গলবার সপ্তম শ্রেণীর তামিম হোসেনসহ তিনজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তারা এ প্রতিবেদককে জানায়, রবিবার ক্লাসে তারা তাদের সহপাঠীর সাথে মোস্তাফিজ স্যারের কোন খারাপ আচরণ করতে দেখেননি। তবে সোমবার তাদের এক সহপাঠীর বাবা ক্লাস চলাকালিন সময়ে স্যারকে মারপিট করেছে।
আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কবীর হোসেন মিলন জানান, বিষয়টি দূঃখজনক। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মান বিদ্যালয়ের পরিবেশ ভাল রাখার জন্য সকলের সঙ্গে পরামর্শ করেই কোন ধরণের মামলা করা হচ্ছে না।
মুঠোফোনে মঙ্গলবার শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী কাশেমপুরের এক মাদ্রাসা শিক্ষক তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে প্রশাসনের কাছে ন্যয় বিচার প্রার্থনা করেছেন।

ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদার বলেন, প্রাথমিক বিভাগে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত তার বিদ্যালয়ে ৩৯০ জন ও ষষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ৫০ জন শিক্ষার্থ রয়েছে। সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর সংখ্যা- ২২ জন। কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম বা অভিযোগ থাকলে তাকে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

 

রবিবারের ঘটনা সম্পর্কে সোমবার সকালে তাকে অবহিত করা হলে তিনি ওই শিক্ষার্থীর বাবাকে বিদ্যালয়ে আসতে বলেন। সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষার্থীর বাবাসহ শতাধিক লোক বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়লে তিনি তার অফিস কক্ষের বারান্দার দরজা লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীর বাবা শ্রেণীকক্ষে যেয়ে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে কয়েকটি চড় মারেন। পরে ওই শিক্ষক শিক্ষকরুমে এলে বহিরাগতদের মধ্যে একজন লোহার রড দিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

 

বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সদর সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোহাগ হোসেন, সদর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানকে অবহিত করা হয়। মব থেকে জীবন বাঁচাতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তবে এ সময় ওই বিদ্যালয়ের ১৭জন শিক্ষককের চোখে ও মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক জানান, তারা তাদের সহকর্মীকে নিরাপত্তা দিতে পারেননি। তবে মব থেকে জীবন বাঁচাতে তাকে পুলিশে দিয়েছেন। হতাশার সুরে তারা বলেন, সূযোগ পেলে দ্রুত এ বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে যাবেন।

ওই শিক্ষার্থীর চাচা ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জানান, ওই শিক্ষার্থী তার আপর ভাইঝি। অথচ তাকেও ঘটনার দিনে বিষয়টি অবহিত করেনি তার ভাই।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় গ্রামবাসি জানান, বর্তমানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির ঘটনা ক্রমশঃ বাড়ছে। তবে দিনদুপুরে পাঠদান চলাকালে শ্লীলতাহানির অভিযোগ মানতে কষ্ট হয়। স্থানীয়ভাবে যে পরিমান বিকল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে তাতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। দুই বছর আগে এ বিদ্যালয়ে ৫২০ জন শিক্ষার্থ থাকলেও এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪০ এ। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ নয় এমন ঘটনা ঘটাতে পারলে পরিকল্পনা অনুযায়ি অনেক অভিভাবক ওই বিদ্যালয় থেকে সন্তানদের নিয়ে নিকটস্ত মাদ্রসায় বা বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবে। যাহা ওই বিদ্যালয়ের জন্য একটা অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দেবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তাকেসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো পারতেন ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক। কিন্তু তা না করে মব সৃষ্টির মাধ্যমে শ্রেণীকক্ষে বা শিক্ষকরুমে নির্যাতন ন্যয় বচার পরিপন্থি। এতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে। শিক্ষক মোস্তাফিজুরকে তিন দিনের ছুটি নিয়ে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। তাকে দ্রুত অন্যত্র বদলী করিয়ে ঘটনার তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় ওই শিক্ষককে সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

Ads small one

নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগার এর সভাপতি মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, হাফিজুর রহমান হাফিজ সাংবাদিক আব্দুল মোমিন, মিহির সাধু মনা, উদায় ঘোস, মাহমুদুল হক লাল্টু, মোসফেক বিশ্বাস, আনিছুর জামান।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন খেলাধুলার দিকে মননিবাস করতে হবে। বর্তমান সমাজ থেকে মাদক দূর করতে হবে আর মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য এবং শরীর ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিকল্প কিছু নাই।

 

পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারটি অনেক পুরাতন এই ক্লাব থেকে অনেক খেলোয়ার একসময় তৈরি হয়েছে। ক্লাবটির সুনাম ধরে রাখতে হবে এবং এ ক্লাবের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভালো ভালো প্লেয়ার তৈরি করতে হবে। খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ভালো কাজের জন্য আমার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

 

পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর চিরবিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর চিরবিদায়

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের ৬ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ (৮২) পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়েছেন। ৯ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকুর পিতা।

শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ ঐতিহ্যবাহী আর কে বি কে হরিশ্চন্দ্র কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ ও বাঁকা শহীদ কামরুল মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রধান শিক্ষকসহ উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে স্ত্রীসহ ১ মেয়ে, ৪ ছেলেসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে উপজেলার সর্ব মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।

দখিনার শোক:
ঐতিহ্যবাহী খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার সমন্বয়ে গঠিত অরাজনৈতিক জন ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন দখিনা এর আজীবন সদস্য, পাইকগাছা রাড়–লি ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ মঙ্গলবার সকালে ষ্ট্রোকজনিত কারনে মৃত্যু বরণ করায় দখিনা’র পক্ষ থেকে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন দখিনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এডভোকেট স.ম বাবর আলী, দখিনার উপদেষ্টা যথাক্রমে আলহাজ¦ আব্দুলজব্বার মোল্লা, আলহাজ¦ শেখআব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল আজিজ, অধ্যাপক মোঃ জোবায়ের হোসেন ও ডাঃ মুহাম্মাদ কাওসার আলী গাজী, দখিনার সভাপতি আলহাজ¦ ওহিদুজ্জামান খান পল্টু, সহ সভাপতি যথাক্রমে ড. মোঃ হারুনর রশিদ, মোঃ ইউনুস আলী গাজী, অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম আযম, প্রফেসর অশোক কুমার ঘোষ, প্রফেসর এসএম মাহবুবুর রহমান, আলহাজ¦ খুরশিদ আলম কাগজি, রোটাঃ এসএম মফিজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদ্বয় জি, এম, ইউনুস আলী, মোঃ শরিফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ওসমান গনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম মইন উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রাশেদ রানা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুলহক খোকন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এমডি আশরাফ হোসেন, সহসমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, মহিলা সম্পাদিক এড. শারমিন মারিয়া মুক্তি, মানবাধিকার সম্পাদক শেখ মনিরুল ইসলাম মনি, ক্রীড়া সম্পাদক জি,এম রেজাউল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে আলহাজ¦ জাহিদ হাবিব, এড. মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ সেকেন্দার, মোঃ নুরুল ইসলাম কালু, জিএম নজরুল ইসলাম, মোঃ জহির হোসেন, জিএম আব্দুস সাত্তার, আবুবকর সিদ্দিক নান্না, হাসিবুর রহামন রকি, কাজী আমিনুল ইসলাম, শেখ মইনুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

 

হাসান হত্যা মামলার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই প্রধান আসামি মিন্টু আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
হাসান হত্যা মামলার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই প্রধান আসামি মিন্টু আটক

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আলোচিত হাসান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ নাজমুল হুদা মিন্টুকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আটক করেছে পুলিশের বিশেষ টিম।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ৯ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে খুলনা নগরীর লবণচোরা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মিন্টু হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি। নিহত হাসানের পিতা মালেক বাদী হয়ে ৮ জুন সোমবার রাতে পাইকগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোঃ নাজমুল হুদা মিন্টুসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। থানার মামলা নং-৯।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ জুন রবিবার বিকেলে উপজেলার চাঁদখালী গরুর হাটে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় হাসান প্রতিবাদ করলে মিন্টুসহ তার সহযোগীরা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় হসপিটালে নিয়ে আসার সময় হাসানের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম কিবরিয়া জানান, নিহতের পিতা বাদী হয়ে সোমবার রাতে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হুদা মিন্টুকে আটকের জন্য পুলিশের বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে এবং ২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই খুলনার লবণচোরা এলাকা থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।