বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

কলারোয়ায় ৩টি ক্লিনিক ও ২টি এক্সরে সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ৩টি ক্লিনিক ও ২টি এক্সরে সেন্টার বন্ধের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিভিন্ন অনিয়ম ও সঠিক কাগজপত্র না থাকায় কলারোয়ায় পাঁচটি স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাক্তার আব্দুস সালাম।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কয়েকটি স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় নানান অভিযোগ, অনিয়ম ও সঠিক কাগজপত্র না থাকায় তিনটি ক্লিনিক ও দুটি এক্সরে সেন্টার তাৎক্ষণিক বন্ধের নির্দেশ দেন সিভিল সার্জন। বন্ধের নির্দেশ দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো উপজেলা চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া বাজারের ডাক্তার রমজান আলীর আছিয়া মেমোরিয়াল ক্লিনিক, ডাক্তার কবিরুল ইসলামের মায়ের হাসি ক্লিনিক, পৌর সদরের জনসেবা ক্লিনিক ও গরু হাটখোলা মোড়ের দুটি এক্সরে সেন্টার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জনের সাথে পরিদর্শনে থাকা কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শফিকুল ইসলাম।

Ads small one

মণিরামপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল (উফশী ও হাইব্রিড) শাকসবজির বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দেওয়ান আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার, উপজেলা জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, মণিরামপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মজনুর রহমান ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের হাতে সবজি বীজ ও সার তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, এ সহায়তা পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আশাশুনির শ্রীউলায় ১২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা, চরমে দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির শ্রীউলায় ১২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা, চরমে দুর্ভোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বাঁশতলা ব্রিজ-ঘোলা খেয়াঘাট-ওয়াপদা হয়ে কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা বছরের পর বছর সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে চলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাঁচ গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে।
শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ওপর এলাকার কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দৈনন্দিন যাতায়াত নির্ভর করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা জমে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকা- স্থবির হয়ে পড়ে।
শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা লুৎফর রহমান ও ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর বাছাড় জানান, রাস্তাটির পাশে ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি ফাজিল মাদ্রাসা, ৮টি মসজিদ, ৩টি খেয়াঘাট ও অর্ধশতাধিক মুরগির খামার রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাকা করার জন্য তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কাঁচা রাস্তাটি পাকা হলে শ্রীউলা ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের যোগাযোগসংকটের স্থায়ী সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

বুধহাটায় ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ মিললেও নওয়াপাড়ায় বাঁধ এখনো অরক্ষিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ মিললেও নওয়াপাড়ায় বাঁধ এখনো অরক্ষিত

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ রক্ষায় জিও ব্যাগ এসে পৌঁছালেও পাশের নওয়াপাড়া গ্রামের ধসে পড়া বাঁধ সংস্কারে এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে বুধহাটা ও আশপাশের ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পাউবোর পক্ষ থেকে ৬ হাজার জিও ব্যাগ বুধহাটা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছায়। সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রবিউল বাশারের ডিও লেটারের ভিত্তিতে পাউবো স্থানটি পরিদর্শন করে এবং বাঁধ রক্ষায় এই সাময়িক পদক্ষেপ নেয়। বালুভর্তি এই ব্যাগগুলো দিয়ে পাইলিং করে ধসে যাওয়া অংশে ডাম্পিং করা হবে। ঠিকাদার আমিনুল ইসলাম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জিও ব্যাগগুলো নির্দিষ্ট স্থানে রাখেন। এ সময় আইনজীবী শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আ. হান্নান, বাজার কমিটির সম্পাদক নুরুজ্জামান জুলু ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, নওয়াপাড়া গ্রামের বেড়িবাঁধে মারাত্মক ফাটল দেখা দিয়েছে। মূল বাঁধের একটি অংশ ধসে কয়েক হাত নিচে নেমে গেছে। সংসদ সদস্য হাফেজ রবিউল বাশার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কু-ু এবং পাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্থানটি পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিলেও এক সপ্তাহ পার হলেও কাজ শুরু হয়নি। নদীর পানি বৃদ্ধি ও জোয়ারের স্রোত শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সংস্কারকাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন আতঙ্কে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা।