বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘গত ১০ বছরে সেরা খবর শুনলাম’, কেন বললেন সাদিয়া আয়মান?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
‘গত ১০ বছরে সেরা খবর শুনলাম’, কেন বললেন সাদিয়া আয়মান?

দীর্ঘ এক দশক পর নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো এক আসামিকে গ্রেফতারের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘গত দশ বছরে সেরা খবর শুনলাম!’

স্ট্যাটাসে এমন প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে সাদিয়া আয়মান বলেন, এত বছর পর দৃশ্যমান একটা কিছু দেখতে পেলাম, এটা স্বস্তি দিচ্ছে, যদিও এখনও বিচার হয়নি বা কবে হবে জানি না, তবু দশ বছর পর হলেও কাউকে গ্রেফতার করা হলো, নিশ্চয়ই এ প্রক্রিয়া আরও এগোবে- এমনটাই বিশ্বাস ও প্রত্যাশা করছি।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন সরকারের সময়ে এই প্রথম একজনকে গ্রেফতার দেখানো হলো।

প্রসঙ্গত, নাট্যকর্মী তনু হত্যার ঘটনায় সে সময় কেঁপে উঠেছিল সারা দেশ। সরব হয়েছিল দেশের সংস্কৃতি অঙ্গন। তারকারাও নেমেছিলেন প্রতিবাদে। তৎকালীন সরকারের কাছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে তনু হত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে সংস্কৃতিকর্মীরা সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেন। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সারা দেশে একযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এমনকি কুমিল্লায় রাস্তাও অবরোধ করেন সংস্কৃতিকর্মীরা।

তারই ধারাবাহিকতায় প্রথম গ্রেফতারের প্রতিক্রিয়া জানালেন সাদিয়া আয়মান। তবে এটিই প্রথম নয়—নানা সময়েই সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে সরব থাকেন এ অভিনেত্রী।

বর্তমানে ছোটপর্দায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তিনি অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের প্রথম মাইক্রোড্রামা সিরিজ ‘সিলভার সাদিয়া’-তে। এতে তার বিপরীতে দেখা গেছে অ্যালেন শুভ্রকে।

এ প্রসঙ্গে সাদিয়া বলেন, এটি একটি ভিন্নধর্মী নির্মাণ, সামনে হয়তো সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে। এতটুকু বলতে পারি এটা গতানুগতিক সিরিজের মতো নয়। প্রতিটিই এক দুই মিনিটের সিরিজ। ইউটিউবের মতো ফ্রেমেও নয়, এ সিরিজের ফ্রেম হবে ফেসবুক রিলসের মতো। আশা করছি সবাই এটা উপভোগ করবেন।

মায়ের দোয়া স্টুডিওজের প্রযোজনায় এটি নির্মাণ করেছেন মিরাজ হোসেইন।

Ads small one

শ্যামনগরে মাদার নদীর বাঁশের সাঁকোতে জীবনের ঝুঁকি, সেতুর দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে মাদার নদীর বাঁশের সাঁকোতে জীবনের ঝুঁকি, সেতুর দাবিতে মানববন্ধন

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের মাদার নদীর ওপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৪টায় রমজাননগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে সাঁকো সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রাম্য চিকিৎসক কিরণ চন্দ্র পরমান্য, রেজাউল ইসলাম, শেখ মিজানুর রহমান, মুনছুর গাইন, রমেশ চন্দ্র মন্ডল, ফজিলা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, গহর আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আলামিন হোসেন এবং সোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাধন মন্ডলসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, রমজাননগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড, নুরনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং কৈখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারো মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রমজাননগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আনারুল হাসানের বাড়ি সংলগ্ন মাদার নদীর ওপর নির্মিত একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

তারা জানান, প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করে ১০৪ নম্বর লক্ষ্মীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, রমজাননগর তোফাজ্জেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গহর আলম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষ যাতায়াত করেন।

এছাড়া রমজাননগরের বদ্দিপাড়ায় সুপেয় পানির সংকট থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা পাশের নুরনগর ইউনিয়নের হরিনাগাড়ী গ্রামের জেলা পরিষদের সরকারি দিঘি থেকে এই সাঁকো ব্যবহার করে খাবার পানি সংগ্রহ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জরুরি রোগী কিংবা প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সাঁকোটির জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত মাদার নদীর ওপর একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করা হলে তিন ইউনিয়নের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে।

মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মাদার নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানান স্থানীয়রা।

 

 

নিহত শিশু ফারজানার পরিবারকে সমবেদনা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন এমপি রবিউল বাশার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
নিহত শিশু ফারজানার পরিবারকে সমবেদনা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন এমপি রবিউল বাশার

আহাদুজ্জামান আহাদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামের এনামুলের মেয়ে, স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকা পরিদর্শনে যান সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি পরিবারের স্বজনদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরবর্তীতে সংসদ সদস্য ফারজানার কবর জিয়ারত করেন এবং তার বিদেহী রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। জিয়ারত শেষে তিনি স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার নানা দিক সম্পর্কে অবগত হন এবং তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। এমপি রবিউল বাশার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এরপর তিনি ফারজানার বিদ্যালয়ে ৬৯ নম্বর কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান এবং সেখানকার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শিক্ষকদের কাছ থেকে ফারজানার পড়াশোনা ও ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, একই দিন সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজ নিহতের বাড়িতে গিয়ে ফারজানার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ঝাউডাঙ্গা কলেজে জেলা পরিষদের প্রশাসককে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা কলেজে জেলা পরিষদের প্রশাসককে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ

পত্রদূত রিপোর্ট: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ চত্বরে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ-২০২৬ ও নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসকের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষনা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল ইসলাম হবিব বলেন, বিগত ২০০০ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাতক্ষীরা থেকে বেনাপোল একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এই ঝাউডাঙ্গা কলেজের সামনে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা কোন একটি কারণে রাস্তায় আটকে ছিলেন। আমি সেই সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, আমার মা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এই কলেজ চত্বরে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেবো, ইনশাল্লাহ। এছাড়া কলেজের ভবন সংস্কারে বরাদ্দ দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

নবীন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশ ও জাতির উন্নয়নে তোমরাই আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি এসময় নতুন পুরাতন সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রত্যককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সমাজবিজ্ঞান প্রভাষক আনারুল ইসলাম ও বাংলা বিভাগের প্রভাষক আলতাফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ঝাউডাঙ্গা কলেজের উপধ্যক্ষ নুরুল আমিন, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মুরশিদ আলম, কাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় সেখানে ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।