রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাইকার সংকটে শার্শার সাতমাইল হাট, লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
পাইকার সংকটে শার্শার সাতমাইল হাট, লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা

Oplus_0

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: আর মাত্র চার দিন পর পবিত্র ঈদুল আজহা। এই সময়ে পশুর হাটগুলো ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট থাকার কথা থাকলেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট যশোরের শার্শার সাতমাইলে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। হাটে ছোট-বড় হাজার হাজার গরুর আমদানি থাকলেও নেই কাক্সিক্ষত পাইকার ও ক্রেতা। ফলে কোরবানির আগে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, সাতমাইল হাট থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পশু ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, ফরিদপুর ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এবার বাইরের পাইকারদের আনাগোনা একেবারেই কম। হাটে আকার ও জাতভেদে কোরবানিযোগ্য গরু ৬০ হাজার থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে বড় গরুর চেয়ে ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতি স্থানীয় ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা বেশি।

খামারিদের অভিযোগ, পশুখাদ্য, ওষুধ ও পরিচর্যার ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। এর ওপর বাজারে গরুর আশানুরূপ দাম না থাকায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। পাশাপাশি পরিবহন ও আনুষঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাইরের পাইকাররা এ হাটে আসার আগ্রহ হারাচ্ছেন।

শার্শা উপজেলায় এবার কোরবানির জন্য প্রায় ১৬ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে গরুর সংখ্যাই ১৩ হাজার ১০০টি। অন্যদিকে উপজেলায় স্থানীয় চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৭২৬টি পশুর। সেই হিসাবে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি নেই। উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১ হাজার ১৩১টি পশুর খামার রয়েছে, যার মধ্যে নিবন্ধিত বড় খামারের সংখ্যা ১৫টি।

শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপু কুমার সাহা বলেন, প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে হাটে বিক্রির জন্য আনা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গর্ভ পরীক্ষা ও অসুস্থ পশুর চিকিৎসার জন্য সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে। ক্ষতিকর উপায়ে মোটাতাজাকরণ করা পশু যাতে বাজারে আসতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ঈদের দু-একদিন আগে কেনাবেচা আরও জমজমাট হবে।

 

Ads small one

দেবহাটায় ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি সংলগ্ন ‘আর-রাহমা’ মসজিদের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি সংলগ্ন ‘আর-রাহমা’ মসজিদের উদ্বোধন

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টাউন শ্রীপুর জমিদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় নবনির্মিত ‘আর-রাহমা’ পাঞ্জেগানা মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার আসরের নামাজের পর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটির যাত্রা শুরু হয়। মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরহুম রশিদ সরদার, মরহুম রউফ সরদার ও মরহুম গফুর সরদারের সন্তানেরা নিজস্ব অর্থায়নে ও উদ্যোগে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিতি সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩মে) রাত ৮টায় বাঁকাল মার্কাজ মসজিদের সামনে ৬ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ মমতাজ উদ্দীন মম’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. রেজাউল ইসলাম রেজা।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, মো. সুরমান আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মীর মাসুদ, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, হযরত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক কিবরিয়া হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সাদিক উদ্দীন, সদস্য আবু হুরাইরা, আবু মুসাসহ এসময় ৯টি ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের আগামী ৩ বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদান করা হয়। এসময় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সকল সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

 

পাটকেলঘাটায় মাছ-মাংসের বাজার চড়া, সবজিতেও স্বস্তি নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় মাছ-মাংসের বাজার চড়া, সবজিতেও স্বস্তি নেই

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা বাণিজ্য কেন্দ্রে গত দুই সপ্তাহ ধরে মাছ, মাংস, ডিম ও সবজির দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ ও সীমিত আয়ের ক্রেতারা। বাজারে পর্যাপ্ত নজরদারি ও মূল্য তালিকা না থাকায় বিক্রেতারা যে যার মতো দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
সপ্তাহের প্রতি বুধ ও শনিবার পাটকেলঘাটায় বড় হাট বসে। দূরদূরান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখানে কাঁচামাল কিনতে আসেন। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ক্রেতা ও সাধারণ ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই হতাশ। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই। প্রতি কেজি বেগুন ও পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারে প্রতি হালি সাদা ডিম ৬০ টাকা এবং লাল ডিম ৫০ টাকায় ঠেকেছে। মাছের বাজারে রুই মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ও নাইলোটিকা ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে। সাধারণ মানুষের জন্য ইলিশ এখন ‘স্বপ্নের মতো’, বাজারে ছোট আকারের ইলিশও বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা কেজি দমে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আড়তেই মাছ-সবজির দাম চড়া থাকায় খুচরা বাজারে দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে বাজারে আসা একাধিক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাঁচাবাজারে তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান তারা।