শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্যামনগরে কৃষি জমির মাটি কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে অর্থদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে কৃষি জমির মাটি কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে অর্থদন্ড

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার অভিযোগে শফিকুল ইসলাম (৪২)নামে এক ব্যক্তিকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার সকালে উপজেলার ভবানীপুর এলাকার কৃষি জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় নেয়ার সময় ভ্রাম্যমান তাকে আটক করে।

এসময় দোষ স্বীকার করে পুনরায় মাটি না কাটার অঙ্গীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত লঘুদন্ড হিসেবে তাকে ঐ অর্থদন্ড প্রদান করে। চিংড়িঘের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম একই এলাকার মুজিবর রহমানের ছেলে।
ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্ব দেয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রাশেদ হোসাইন জানান, কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় ব্যবহারের সুযোগ নেই।

 

শফিকুল ইসলাম নিজের কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় সরবরাহ করছিলেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় ১০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরবর্তীতে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে আরো কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Ads small one

ষোড়শীকে ধর্ষণের পর ধারণকৃত ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে, গ্রেপ্তার হয়নি আসামী হদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
ষোড়শীকে ধর্ষণের পর ধারণকৃত ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে, গ্রেপ্তার হয়নি আসামী হদয়

পত্রদূত রিপোর্ট: মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির ষোড়শী কন্যাকে একা পেয়ে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামী হৃদয় ঘোষকে গত তিন মাসেও গ্রেপ্তার কররা যায়নি। তবে র‌্যাব এর হাতে গ্রেপ্তারকৃত দেবাশীষ ম-লের আজো জামিন মেলেনি। আসামী হৃদয় ঘোষ সাতক্ষীরা সদরের কুলতিয়া গ্রামের জগবন্ধু ঘোষের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদরের বুধহাটা ইউনিয়নের একটি গ্রামের ষোড়শী এক নারীকে (বর্তমানে কলেজ পড়–য়া) বেশ কিছুদিন আগে বাড়িতে কেউ না থাকার সূযোগে ধর্ষণ করে কুলতিয়া গ্রামের দেবাশীষ ম-ল। ধর্ষণে বাধা দেওয়া ওই ষোড়শীকে উপর্যুপরি কামড়ে জখম করা হয়। ধারণ করা হয় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র। ধর্ষণের ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পরে বেশ কয়েকবার ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে দেবাশীষ। দেবাশীষের সহযোগী ছিলো একই গ্রামের জগবন্ধু ঘোষের ছেলে কলেজ ছাত্র হৃদয় ঘোষ ও মাদকসেবী হাবিব।

 

বিষয়টি ওই ষোড়শী তার বাবা ও মাকে জানানোর পর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। নিরুপায় হয়ে ওই ষোড়শীর মা বাদি হয়ে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১)/১০ ধারা তৎসহ ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(১)(২)(৩) এবং পেনাল কোডের ৩৪১/৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় দেবাশীষ ও হৃদয় এর নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

গত ২৮ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় র‌্যাব সদস্যরা গঙ্গারামপুর মাসিমার বাড়ি থেকে দেবাশীষকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ঐ রাতেই (বুধবার রাত ১০টা ৪১ মিনিটে) হৃদয় ঘোষ আবারো ওই ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ২৯ জানুয়ারি দেবাশীষ ম-ল সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম তনিমা ম-লের কাছে নিজের ও হৃদয়ের সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

মামলার বাদির অভিযোগ, দোবশীষ গ্রেপ্তার হওয়ার পর হৃদয়ের বিরুদ্ধে কেন মামলা করা হয়েছে তার কৈফিয়ৎ চান জগবন্ধু ঘোষ। বিষয়টি বার বার তদন্তকারি কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও তিনি হৃদয়কে ধরার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে গত তিন মাসে হৃদয় ঘোষ রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। মাঝে মাঝে বাড়িতেও আসছে বলে জানতে পেরেছেন তিনি। একপর্যায়ে সম্প্রতি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেনকে কালিগঞ্জ থানায় বদলী করা হয়। পরবর্তী তদন্তকারি কর্মকর্তা ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

মামলার বাদি আরো আভিযোগ করে বলেন, গত ১৫ এপ্রিল তার ও ভিকটিমের উপস্থিতিতে দেবাশীষ ম-লের জামিন শুনানী হয় দায়রা জজ আদালতে। বাদির কাঠগোড়া থেকে নেমে তিনি ও ভিকটিম আসামীর কাঠগোড়ার সামনে দিয়ে আসার সময় ভিকটিমকে জামিনের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর কে অবহিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার বর্তমান তদন্তকারি কর্মকর্তা ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমান শনিবার এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি যে কোন সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আসামী হৃদয়কে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেবেন।

 

আশাশুনিতে সোনালি ধানের মাঠে ব্যস্ততা, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে সোনালি ধানের মাঠে ব্যস্ততা, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরা-আশাশুনি উপজেলার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ জনপদে এখন বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম। ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঠে নেমে পড়ছেন কৃষক-কৃষাণিরা। কাস্তের টুংটাং শব্দ, ধান মাড়াইয়ের ঘূর্ণি আর শ্রমিকদের হাঁকডাকে মুখর চারপাশ। কোথাও মাথায় করে, কোথাও ভ্যানে, আবার কোথাও ট্রলি করে যাচ্ছে সোনালি ফসল-মাঠ থেকে ঘর পর্যন্ত এখন একটিই দৃশ্য, ব্যস্ততার।

 

এবারের মৌসুমে বোরো ধানের ফলন তুলনামূলক ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে প্রথমদিকে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছিল। অনেকেই আশা করেছিলেন, ভালো ফলন মানেই সংসারে স্বস্তি ফিরবে, ঋণের বোঝা কমবে। কিন্তু ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সেই আশায় ভাটা পড়েছে। মাঠপর্যায়ে ধানের দামের অস্থিরতা আর ফড়িয়া-সিন্ডিকেটের প্রভাব এখন কৃষকের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বাজারে যেখানে শুকনো ধানের দাম তুলনামূলক বেশি, সেখানে মাঠ থেকেই কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কৃষক। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক এবং শ্রমিক মিলিয়ে প্রতি মণ ধান উৎপাদনে গড়ে ৮৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ছে। অথচ অনেক কৃষককে ১১০০/১২০০ টাকার মধ্যেই ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।

 

ফলে ভালো ফলনের পরও অনেক কৃষকের মুখে হাসি নেই, বরং বাড়ছে চাপা উদ্বেগ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, অনেক কৃষক ঋণ পরিশোধ ও নগদ টাকার প্রয়োজনে ধান ঘরে না তুলে সরাসরি মাঠেই বিক্রি করছেন। দালাল ও ফড়িয়ারা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কম দামে ধান কিনে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “এবার ধান ভালো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু লাভ হচ্ছে না।

 

সার, শ্রমিক আর ঋণের টাকা দিতে গিয়ে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছি। হাতে টাকা না থাকলে উপায়ও নেই।” একই গ্রামের আরেক কৃষক হাসানুর রহমান বলেন, “আমরা বছরের পর বছর কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে আমাদের জন্য কোনো নিরাপত্তা নেই। সরকার যদি সরাসরি ধান কিনতো, তাহলে আমরা অন্তত ন্যায্যমূল্য পেতাম।” ধান কাটা শ্রমিকরাও বলছেন, কৃষকের মুখে স্বস্তির পরিবর্তে চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। শ্রমিক শিউলি বেগম জানান, “কাজের চাপ অনেক, কিন্তু কৃষকদের অবস্থা ভালো না।

 

দাম কম পাওয়ায় তারা খুব চিন্তায় আছে।” এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের ফলন সন্তোষজনক হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কৃষকের প্রকৃত লাভ নির্ভর করছে বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের ওপর। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, সরকারি ক্রয় কার্যক্রম আরও সক্রিয় হলে কৃষকরা কিছুটা হলেও ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমবে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সচেতন করাও চলছে বলে তিনি জানান।

 

সব মিলিয়ে আশাশুনির গ্রামীণ জনপদে এখন একদিকে সোনালি ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততা, অন্যদিকে বাজারদরের অনিশ্চয়তায় কৃষকের চোখে চাপা হতাশা। ভালো ফলনের আনন্দ যেন পুরোপুরি পরিণত হতে পারছে না স্বস্তিতে। কৃষকের প্রত্যাশা-এই সোনালি মৌসুম যেন শেষ পর্যন্ত তাদের ঘরে নিয়ে আসে ন্যায্যমূল্যের হাসি, না যে শুধু পরিশ্রমের হিসাব।

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে বজ্য অপসারণ, পিলখানা অপসারণ, প্রাণসায়ের খালের পানি প্রবাহ রক্ষা করা, মাছ বাজারের ব্রিজ, শহরের পাকাপোল ব্রিজ, রাধানগর সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সড়ক ও থানা মসজিদ সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার।

 

এসময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। তিনি বলেন, প্রাণসায়ের খাল পাড়ে ময়লার ভাগাড় হতে দেওয়া হবেনা। খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে খালে কোন ময়লা আবর্জনা ও অবৈধ স্থাপনা হতে দেওয়া হবেনা। আজ সরেজমিনে এসে বলে গেলাম। এরপর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন ব্রিজের উপর দোকান পাট ও চলাচলের রাস্তার দু’ধারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোকান পাট ও অবৈধ স্থাপনা দেখতে চাইনা। আগামী শনিবার আবার আসবো পরিদর্শনে। সাতক্ষীরাকে সকলের জন্য বাসযোগ্য করে তুলতে জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ।

 

উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মেদ, সহকারি প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত সাগর দেবনাথ, উপসহকারি প্রকৌশলী মোহাব্বাত হোসাইন, কামরুজ্জামান শিমুল, সাবেক অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম, সহ-সভাপতি তৈয়েব হাসান বাবু, অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড়, আব্দুর রব ওয়ার্ছি, ফারহা দিবা খান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল, মহিলা সম্পাদিকা সোনীয়া সুলতানা, যুগ্ম মহিলা সম্পাদকা রেবেকা সুলতানা, কৃষি ও মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল করিম (ধনি), সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মুছা করিম, পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুল আল মাহমুদ (রিটু), আইটি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আসিফুল আলম, নির্বাহী সদস্য সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিউদ্দিন, সি.এম নাজমুল ইসলাম, সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, সহ-সভাপতি মো. আমিনুর রহমান, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রওশন আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী খাঁ, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালিউল ইসলাম প্রমুখ।

সুলতানপুর বড় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে জানান, সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খালের ধারে পৌরসভার কসাইখানা (পিলখানা) হলে আবারও ময়লা ও বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হবে এবং খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হবে। আদালতে এই পিলখানার জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে। আদালত স্থিতিবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ প্রাণসায়ের খালের ধারে কসাইখানা স্থাপন করার লক্ষ্যে টেন্ডার দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক বলে জানান ব্যবসায়ীরা। খালের পাড়ে পিলখানা না করার অনুরোধ জানান তারা।