শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শ্যামনগরে গ্রাম পুলিশদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে গ্রাম পুলিশদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় বেসরকারী সংগঠন রুপান্তরের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গ্রাম পুলিশ ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

রুপান্তরের গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় শ্যামনগর অফিসার্স ক্লাব হল রুমে সুইজারল্যান্ড, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকনট্যাক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণে উপজেলার আটুলিয়া, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউপির গ্রাম পুলিশ এবং নওয়াবেঁকী বাজার, গড়কুমারপুর বাজার, চাঁদনীমুখা বাজার ও কলবাড়ী বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অংশ গ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে সম্মানিত অতিথি ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের কোয়ার্ডিনেটর সাব ডিস্ট্রিক লিয়াজো মো. আলম চৌধুরীসহ রুপান্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে নিরাপদ ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

Ads small one

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ‘লালকার্ড’ প্রদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ‘লালকার্ড’ প্রদর্শন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিসহ এ ধরনের সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে গণজমায়েত করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ‘লালকার্ড’ প্রদর্শন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লালকার্ড‘ শীর্ষক স্লোগান দিয়ে উপস্থিত সবাই হাত উঁচু করে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।

সমাবেশে বক্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে অবিলম্বে এসব চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, সংসদের সব রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে ঝগড়া হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ‘দাসত্বমূলক চুক্তির’ বিষয়ে যেন ‘নীরবতার ঐক্য’ তৈরি হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তিটি আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদেশনামা এবং রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থে জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে এই পদক্ষেপকে সমর্থন দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের মাত্র ৩ দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে চুক্তি করেছে, তা জনগণকে জানানো হয়নি। মার্কিন সরকারের প্রকাশ করা ৩২ পৃষ্ঠার দলিলটি পড়লে দেখা যায়, এটি কোনো চুক্তি নয় বরং বাংলাদেশকে কী করতে হবে, তার একটি মার্কিন হুকুমনামা।

এর ফলে প্রয়োজন বা দাম বিবেচনা না করেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন জিনিস বিনা শুল্কে আমদানি করতে বাংলাদেশ বাধ্য হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় কমবে এবং সাধারণ মানুষের ওপর কর ও ভর্তুকির বোঝা বাড়বে।’

 

দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নীরবতার সমালোচনা করে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দলগুলো নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থে এই সর্বনাশী চুক্তির বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নীরব রয়েছে। ভারতের আধিপত্য ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন লাগবে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বহুজাতিক করপোরেট স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন সবাই পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।’

গণজমায়েতে গান পরিবেশনা করে উদীচী, গানের দল সমগীত ও কোরাস। নাটক পরিবেশনা করে নাট্যদল প্রাচ্যনাট ও বিবর্তন। এছাড়া, কবিতা আবৃত্তি করেন তাহসিন রেজা, অনন্যা মাহমুদ এবং মাসুদ মনিরুল। মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিসহ দেশীয় স্বার্থ বিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে আজকের গণজমায়েতে দেশের বাইরেও থেকেও সংহতি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

সম্মিলিত এই গণজমায়েতে আরও উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক, বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জোটসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন, নারী সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন, রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই

ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার এবং কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বার্বাডোজে নিজের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

অনেকের মতেই ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিভাবান ও সর্বশ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয় সোবার্সকে। টেস্ট ব্যাটার হিসেবে অনন্য সোবার্স বাঁহাতি পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি অর্থোডক্স এবং রিস্ট স্পিন উভয় ধরনের বোলিংয়েই পারদর্শী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন এক অসাধারণ ফিল্ডার এবং ক্লোজ ইন ক্যাচার। তার এই বহুমুখী গুণের কারণেই সর্বকালের আরেক সেরা ক্রিকেটার স্যার ডোনাল্ড ব্রাডম্যান তাকে ফাইভ-ইন-ওয়ান ক্রিকেটার হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন সোবার্স। ৫৭.৭৮ গড়ে তিনি রান করেছেন ৮,০৩২ এবং ৩৪.০৩ গড়ে নিয়েছেন ২৩৫টি উইকেট। বিশ্ব ক্রিকেটে তার এই অনন্য অবদানকে সম্মান জানিয়ে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব সংস্করণে বছরের সেরা পারফরমারকে আইসিসির যে প্রধান বার্ষিক পুরস্কার দেওয়া হয়, তার নামকরণ করা হয়েছে ‘র গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি।

সোবার্সের প্রয়াণে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছে, একটি মহান ইনিংসের সমাপ্তি ঘটলো। আমাদের হৃদয়ে এখন এবং চিরকাল থাকবেন স্যার গারফিল্ড সোবার্স। তবে বিবৃতিতে তার মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

ষোলো বছর বয়সে শুরু, অতঃপর বিশ্ব রেকর্ড

১৯৫৩ সালের জানুয়ারিতে সফরকারী ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় সোবার্সের। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি দলের প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করতে বাধ্য করেছিলেন। এর এক বছর পর জ্যামাইকাতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তার টেস্ট অভিষেক হয়। ৯ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি ১৪ ও ২৬ রান করেন এবং ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৭৫ রানে ৪ উইকেট নেন।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের টেস্টগুলো তিনি মূলত বোলার হিসেবে খেলেছিলেন। তবে ২৩ বছর বয়সে তিনি তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পান এবং একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাবিনা পার্কে ১৯৫৮ সালে ৩৬৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে লেন হাটনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট স্কোরের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেন। এই রেকর্ডটি ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ ছিল, যা পরবর্তীতে ব্রায়ান লারা ভেঙে দেন। সোবার্স নিজে মাঠে উপস্থিত থেকে লারার সেই কীর্তি প্রত্যক্ষ ও উদযাপন করেছিলেন।

সেই রেকর্ড গড়া ইনিংসের এক দশক পর, নটিংহামশায়ারের হয়ে খেলার সময় গ্ল্যামারগনের ম্যালকম ন্যাশের এক ওভারে ছয়টি ছক্কা মেরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম এই কীর্তি গড়েন সোবার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বার্বাডোজ, নটিংহামশায়ার এবং সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তার প্রথম শ্রেণির দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩৮৩টি ম্যাচ খেলে ৫৪.৮৭ গড়ে ২৮,৩১৪ রান করেছেন এবং ২৭.৭৪ গড়ে ১,০৪৩টি উইকেট নিয়েছেন।

সোবার্স ৯৫টি লিস্ট এ ম্যাচ খেললেও ওডিআই বা ওয়ানডে ক্রিকেটের সূচনালগ্নে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষের দিকে চলে এসেছিল। ফলে তিনি মাত্র একটি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন, ১৯৭৩ সালে হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ক্রিকেটে অনন্য সেবার জন্য ১৯৭৫ সালে তাকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এরপর ২০০০ সালে উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক তাকে ব্রাডম্যান, স্যার জ্যাক হবস, স্যার ভিভ রিচার্ডস এবং শেন ওয়ার্নের পাশাপাশি ‘শতাব্দীর সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের’ একজন হিসেবে নির্বাচিত করে।

ছয় আঙুল নিয়ে জন্ম ও ক্যারিবীয়দের স্বপ্নসারথি

১৯৩৬ সালে বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া সোবার্স ছিলেন মা-বাবার ছয় সন্তানের মধ্যে পঞ্চম। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তার বণিক-নাবিক বাবা মারা যাওয়ার পর মূলত তার মায়ের কাছেই তিনি বড় হন। জন্মের সময় দুই হাতেই তার ছয়টি করে আঙুল ছিল, তবে শৈশবেই অতিরিক্ত আঙুল দুটি অস্ত্রোপচার করে অপসারণ করা হয়। তিনি বাস্কেটবল, ফুটবল এবং গলফসহ সব ধরনের খেলাধুলাতেই পারদর্শী ছিলেন।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ড. কিশোর শ্যালো সোবার্সকে ‘পৃথিবীর দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সোবার্সের পরিবার, বার্বাডোজ সরকার ও জনগণ এবং বিশ্বজুড়ে তার মৃত্যুতে শোকাহত সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কিশোর শ্যালো আরও বলেন, ‘একটি জাতির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন একজন ব্যক্তির জীবন প্রজন্মের পর প্রজন্মের আশা, স্বপ্ন এবং পরিচয়ের সঙ্গে মিশে যায়। আজ ক্যারিবীয় অঞ্চল তেমনই একজন মানুষের প্রয়াণে শোকাহত… ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে তার দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। তবে তার আসল তাৎপর্য বাউন্ডারি লাইনের সীমানা ছাড়িয়ে আরও উঁচুতে পৌঁছেছিল।’

তিনি আরও বলেন, তিনি এমন এক সময়ে ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে উঠে এসেছিলেন যখন আমাদের অঞ্চলটি বিশ্বমঞ্চে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবস্থান জানান দিচ্ছিলো। তার এই শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে তিনি আমাদের দ্বীপপুঞ্জের এবং প্রবাসী লাখ লাখ মানুষের মনে নতুন করে বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিলেন যে যেকোনও কিছুই সম্ভব। তিনি দেখিয়েছেন যে শ্রেষ্ঠত্ব কোনও দেশের আকার, দ্বীপের ভূগোল বা আমাদের শুরুর পরিস্থিতির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। স্যার গারফিল্ড সোবার্স কেবল একজন ক্রীড়া আইকন ছিলেন না, তিনি ক্যারিবীয় শ্রেষ্ঠত্ব, স্থিতিস্থাপকতা এবং সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তার অর্জন বার্বাডোজের জন্য গর্ব, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য অনুপ্রেরণা এবং ক্রিকেট বিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে প্রশংসা কুড়িয়ে এনেছিলো।

সূত্র: ক্রিকইনফো

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো অনুরোধটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারত। শুক্রবার (১৭ জুলাই) নয়া দিল্লিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নিশ্চিত করেছেন যে বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পেয়েছে ভারত। তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা হস্তান্তরের একটি অনুরোধ পেয়েছি। আমরা আগেও যেমনটা বলেছি, অনুরোধটি বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অধীনে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হস্তান্তরের এই অনুরোধটি প্রাসঙ্গিক আইনি বাধ্যবাধকতা এবং বিচারিক প্রক্রিয়া বিবেচনা করে দেখা হবে।

ব্রিফিংয়ে জয়সওয়ালের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছিল যে বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আগে একজন রাজনীতিক হত্যার ঘটনায় ভারতের হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তিকে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে অন্য কোনও অনুরোধ ভারত পেয়েছে কি না। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমি এই মুহূর্তে এটি নিশ্চিত করতে পারছি না। আমাকে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

প্রশ্নকারী সাংবাদিক অবশ্য ওই ঘটনায় অভিযুক্ত বা ভুক্তভোগী কারও নাম উল্লেখ করেননি।

তবে রণধীর জয়সওয়াল পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ভারতের কাছে যেকোনও ধরনের হস্তান্তরের অনুরোধ এলে তা প্রযোজ্য আইনি প্রয়োজনীয়তা এবং বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসারেই পরীক্ষা করে দেখা হয়।