বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্যামনগরে সুন্দরবন সচেতনতায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সুন্দরবন সচেতনতায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মঙ্গলবার (৫ মে) সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ওয়াইল্ডটিমের আয়োজনে ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন সচেতনতায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের আর্থস্কাউট সদস্যদের বাস্তবায়নে ও জিআইজেটের অর্থায়নে আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন উপলক্ষে স্কুল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বনবিভাগ প্রতিনিধিসহ অন্যান্যদের অংশ গ্রহণে র‌্যালি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুন্দরবন বিষয়ে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ সুন্দরবন সংরক্ষণ বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রনজিৎ কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে ও ওয়াইল্ডটিম কর্মকর্তা আলী হোসেন মোহাম্মদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থস্কাউট সদস্য ও বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী তনুশ্রী মন্ডল।

সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বনবিভাগ সাতক্ষীরারেঞ্জের মুন্সিগঞ্জ টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহিদ হোসেন। বক্তব্য রাখেন ওয়াইল্ডটিম কর্মকর্তা সনজিৎ কুমার মন্ডল, মুজিবুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা সুন্দরবনের বৃক্ষরাজি, বন্যপ্রাণি, মৎস্য সম্পদসহ অন্যান্য সম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরে সুন্দরবন সুরক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান। একই সাথে বন্য প্রাণি বাঘ ও কুমিরের আক্রমনে নিহত ও আহতদের সরকারি সহায়তা প্রদানের ও নিয়মাবলী বিষয়ে অবহিত করেন।

আলোচনাসভা শেষে চিত্রাঙ্কনের ১২ জন ছাত্রী ও কুইজে শ্রেষ্ঠ ১০ জন ছাত্রীর পুরস্কার ও টিশার্ট প্রদান করা হয়।

Ads small one

জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পেলেন সাতক্ষীরার সাজেদুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পেলেন সাতক্ষীরার সাজেদুর রহমান

সাতক্ষীরার সন্তান ও দৈনিক ‘বাণিজ্য প্রতিদিন’ পত্রিকার স্বত্বাধিকারী কাজী সাজেদুর রহমান জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ লাভ করেছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন ৪১১জন সদস্যের অনুমোদিত তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কাজী সাজেদুর রহমান বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে খুলনায়। তিনি খুলনা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা সুন্দরবন কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে সাজেদুর রহমান ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন। তিনি পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ‘কেপিসি ইন্ডাস্ট্রিজ’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিসপোজেবল পেপার কাপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তিনি পেপার কাপ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবসায়িক সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ইতিপূর্বে ‘বর্ষসেরা এসএমই উদ্যোক্তা’ নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি লেখালেখিও করেন। তাঁর রচিত ‘উদ্যোগ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের রূপরেখা’ এবং ‘প্রকল্প’ শিরোনামে দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ প্রাপ্তি তাঁর সাফল্যের মুকুটে আরও একটি নতুন পালক যোগ করল। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ভোমরায় নারী ও শিশু পাচার রোধে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ভোমরায় নারী ও শিশু পাচার রোধে সমন্বয় সভা

সাতক্ষীরার ভোমরা ইউনিয়নে নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভোমরা মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ (এমএসপি) ও মানবাধিকার নারী পরিষদের (এমএনপি) দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ভোমরায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এমএসপি সদস্য সৌমেন কুমার ও এমএনপি আহ্বায়ক মধুমালা গাইনের সভাপতিত্বে সভায় শিশুদের জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে আইনি সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় পাচার ও নির্যাতন রোধে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত নেন। স্বদেশ সংস্থার নাগরিকতা প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম অফিসার মো. আজাহারুল ইসলাম ও প্যারালিগ্যাল মো. শরিফুল ইসলাম সভায় কারিগরি সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

0-4024x1784-0-0-{}-0-12#

শেখ জিল্লু, কলারোয়া: কলারোয়ায় শখের বশে শুরু হওয়া আঙুর চাষ এখন রীতিমতো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে করা এই চাষেই বাগানে ঝুলছে থোকা থোকা আঙুর। স্থানীয়দের বিস্মিত করে আঙুর চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন জাহিদ হোসেন নামের এক উদ্যোক্তা কৃষক। কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামে জাহিদ হোসেনের এই আঙুর বাগান দেখতে প্রতিদিনই কৌতূহলী মানুষের আগমন ঘটছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে আঙুর বাগান ঘুরে কেরালকাতা গ্রামের জাহিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি পৈত্রিকভাবে পাওয়া দুই বিঘা জমি চাষাবাদ করে কোনো রকমে সংসার নির্বাহ করছিলেন। সচ্ছলতা ফেরাতে এর আগে কুল ও ড্রাগন চাষ করেছেন। গত বছর ইউটিউবে আঙুর চাষের ভিডিও দেখে তিনি এই চাষে উদ্বুদ্ধ হন। গত বছরের জুনে আড়াই বিঘার মতো জমি লিজ নিয়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেন। কারো কোনো পরামর্শ ছাড়া সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আঙুর গাছের চারা নিয়ে এসে রোপণ করেন। এরপর জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ, নিয়মিত পানি দেওয়াসহ নেট, বেষ্টনী ও রশির মাচা বানিয়ে চারাগুলো গত ১১ মাস নিবিড় পরিচর্যা করেন। এরপর চলতি মাসে প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় আঙুর ধরেছে। এই বাগানের আঙুরগুলো স্বাদেও অনন্য। সবুজ ও বেগুনি রঙের এই আঙুরগুলো যেনো নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। আধুনিক কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকে স্বল্প পরিসরে আঙুরের চারা রোপণ করেন জাহিদ হোসেন। পরিপাটি এই বাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে নজরকাড়া থোকা থোকা আঙুর। প্রতিদিন বাগান দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। অনেকেই বলছেন, এই অঞ্চলের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব-এ ধারণা আগে তাদের ছিল না। জাহিদ হোসেন জানান, প্রথমবার করা এই বাগানে লিজসহ ত ৮ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। তিনি বলেল, এখানে বাগান করার বিষয়টি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর অবগত ছিলো না। পরে জানতে পেরে তারা সবধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার জিয়াউল হক জানান, খুলনা বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা এই আঙুর বাগান পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম ইতোমধ্যে এই বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে বাগান উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম ধানঘরা প্রাইমারি স্কুল থেকে বাগান অভিমুখী রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় তা পাকাকরণের দাবি জানান। এছাড়া এখানে বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি বিদ্যুতায়নেরও দাবি জানান। বাজারে বিদেশি আঙুরের চাহিদা থাকায় দেশীয়ভাবে উৎপাদিত আঙুরেরও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখকনকার সুস্বাদু এই আঙুর আমদানিকৃত আঙুরের তুলনায় মানগত দিক থেকে যথেষ্ট উৎকৃষ্ট। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেলে আরও বড় পরিসরে আঙুর চাষ সম্প্রসারণের আশা করছেন জাহিদ হোসেন। শখের বসে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকার কৃষিতে নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।