ঝাউডাঙ্গায় পল্লী বিদ্যুতের দু’কর্মকর্তার উপর হামলা


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১২, ২০১২ ||

মনিরুল ইসলাম মনি: পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নতুন লাইনের তাঁর টানানোর সময় দুবৃর্ত্তরা ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও এক প্রকৌশলীর উপর হামলা চালিয়েছে। গত রোববার দুপুরে সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম গোলদার বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম গোলদারের অভিযোগ, ঘটনার সময় সদর থানার এসআই সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘটনার সময় হামলাকারীদের উৎসাহ দিয়েছেন। সমিতির পক্ষ থেকে থানায় মামলা দেওয়া হলেও গতকাল পর্যন্ত মামলা রেকর্ড করা হয় নি। পুলিশ উল্টে তাদের নামে মামলা করার হুমকি দিচেছ। এতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগে ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম গোলদার উল্লেখ করেছেন, গত রোববার দুপুরের দিকে সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের নতুন লাইনের তাঁর লাগানোর জন্য তিনিসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে যায়। নতুন লাইনের তাঁর লাগানো হলে ৩০-৪০ পরিবার উপকৃত হবে। কিন্তু একটি পরিবার এর বিরোধীতা করে আসছিল। সমিতির লোকজন কাজ শুরু করলে একই গ্রামের আছাদুজ্জামানসহ কয়েক জন মহিলা তাদের কাজে বাঁধা দেয়। এক পর্যায়ে আছাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ১২-১৩ জন দুবৃর্ত্ত তাকেসহ প্রকৌশলী বজলুর রহমানের উপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ছিনতাই করে নেওয়্ াহয়। এছাড়া তাদেরকে নানাভাবে হুমকি ধামকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মথুরাপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ, আবু সাঈদ, আচাদুজ্জামান, সেলিনা খাতুন, ফতেমা খাতুন, ইকবল হোসেন, নূর ইসলাম, রুপোল, সুলতানা, আলমগীর হোসেন, শরিফা খাতুন, সানজিদা খাতুন ও মনোয়ারা খাতু কে আসামি করে থানায় একটি মামলা দিয়েছেন।

সদর থানার ওসি মো. ইব্রাহীম জানান, পল্লী বিদ্যুত সমিতির কর্মকর্তাদের উপর হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। একটু সমস্যার কারণে মামলা রেকর্ড করা হয় নি। বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হচেছ।