কালিগঞ্জে চিংড়ি চাষীদের অ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিস বিষয়ক প্রশিক্ষণ


প্রকাশিত : নভেম্বর ১৯, ২০১২ ||

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে চিংড়ি চাষী পর্যায়ে গুড অ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিস বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নোরাড এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় ইউনাইটেড নেশনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইউনিডো) ও মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বেস্ট-বিএফকিউ প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ ও মানসম্মত চিংড়ি উৎপাদনের লক্ষ্যে এ কর্মশালায় কালিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের ২৫ জন চিংড়ি চাষী অংশগ্রহণ করেন।

কালিগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শামীম হায়দারের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল অদুদ। প্রধান অতিথি বলেন, মানসম্মত ও নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদনে গুড অ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিসের উপর গুরুত্ব ও এর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি রপ্তানি নিশ্চিত করার জন্য চিংড়ি চাষের খারাপ অভ্যাসগুলো অবশ্যই বর্জন করে ভাল চাষের নিয়মাবলি মেনে চলতে হবে। জিএপি বাস্তবায়নে চিংড়িচাষীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার পাশাপাশি আহরণোত্তর পরিচর্যাকাররী, পরিবহনকারী, প্রক্রিয়াজাতকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি আহবান জানান।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেস্ট-বিএফকিউ, ইউনিডোর বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, মূলত চিংড়িখাদ্য থেকে রাসায়নিক ও জীবাণু দূষণ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এজন্য চিংড়ি ঘেরে খাদ্য প্রয়োগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রশিক্ষণে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে চাষ, পুকুরে গুড় অ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিস, চিংড়িচাষে পানির গুণাগুণ ব্যবস্থাপনায় গুড প্র্যাকটিস, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন কর্মসূচি, চিংড়িচাষে ভাল খাদ্য ও খাদ্য প্রয়োগ ব্যবস্থাপনা, চিংড়ি আহরণ ও আহরণোত্তর পরিচর্যার গুড প্র্যাকটিস ইত্যাদি বিষয়ে চাষীদেরকে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারিদের মাঝে গুড অ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিস এর একটি চাষী সহায়িকা এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্টার ও চিংড়িচাষ সম্পর্কিত নির্দেশিকা বিতরণ করা হয়।