সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, লুটপাট ও প্রাণহানির প্রতিবাদে মানববন্ধন


প্রকাশিত : March 7, 2013 ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরাসহ সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়, দোকানপাট, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও প্রাণহানির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখা।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সাতক্ষীরা শহরের আবুল কাশেম সড়কে আরব-বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানবন্ধন কর্মসূচির পূর্ব নির্ধারিত স্থান শহরের নিউ মার্কেটস্থ শহীদ স ম আলাউদ্দিন চত্বর থাকলেও সেখানে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ায় আরব-বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মানব-বন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
মনববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এনামুল হক বিশ্বাস, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুর রহমান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সম্পাদক অনীত মূখার্জী, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক পুলক কুমার পাল, হেনরী সরদার, স্বপন কুমার শীল, নিত্যানন্দ সরকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক উগ্র জামায়াত-শিবির বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সারা দেশে যে তাণ্ডবযজ্ঞ চালিয়েছে তা মানবতাবিরোধী। জামায়াত-শিবিরের হিংস্র, থাবা থেকে রক্ষা পায়নি শহীদ মিনার, মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্য, জাতীয় পতাকা, ধর্মীয় উপসনালয়, ধর্মগ্রন্থ, সংখ্যালঘুসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের বাড়িঘর ও দোকানপাট। সরকারি সম্পদও ওরা লুট করেছে। হাজার হাজার জীবন্ত সরকারি গাছ কেটে ধক্ষংস স্তুপে পরিণত করেছে গোটা দেশ।
বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব কে জামায়াত-শিবির ভূলুণ্ঠিত করে চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। গ্রামে গ্রামে জঙ্গি মিছিল বের করে ওরা তাণ্ডব চালিয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর চরম নির্যাতন চালিয়ে ওরা একাত্তরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। ওদের এদেশে ধর্মের নামে এভাবে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি স্টাইলে রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। বক্তারা সাম্প্রদায়িক উগ্র জঙ্গি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করার জোর দাবি জানান।