কলারোয়া সীমান্তে রোগাক্রান্ত ভারতীয় গরুর মাংস বিক্রি, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে মানুষ


প্রকাশিত : মার্চ ৯, ২০১৩ ||

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কলারোয়া সীমান্ত গলিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মণ রোগাক্রান্ত ভারতীয় গরুর মাংস পার হয়ে আসছে। শুক্রবার সকালে কলারোয়ার কাঁকডাঙ্গা সীমান্তে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাথায় বহন করে বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় মালামাল ও নৌকা ভর্তি ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বস্তায় ভরে নিয়ে আসছে চোরাকারবারীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সীমান্তের সোনাই নদীতে নৌকা ভর্তি করে ভারতীয় গরুর মাংস নিয়ে চোরাচালানীরা বাংলাদেশ ভূ-খণেড নামিয়ে তা বালিয়াডাঙ্গা বাজরে নিয়ে আসে। এই বাজারে ২২টি স্থানে হাজার হাজার মণ গরুর মাংস বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। সীমান্ত ঘেঁষা বালিয়াডাঙ্গা বাজারে এক ব্যক্তি (হাট ডাক নিয়ে) এই অবৈধ ভারতীয় গরুর মাংস বিক্রি করার সুযোগ করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভারতীয় গরুর মাংস বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে দেশী গরুর মাংস ২শ’৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেখানে তারা ভারতীয় গরুর মাংস ১শ’ ৩০ টাকা থেকে ১শ’৫০ টাকায় প্রতি কেজি দরে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন একজন ব্যবসায়ী মাংস বিক্রি করে ১ থেকে ২ হাজার টাকা লাভ করে থাকেন। একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি গত ৭ মাস ধরে এ ব্যবসা করে আসছেন। গত বুধবার বালিয়াডাঙ্গা বাজারে এক ব্যবসায়ী মৃত গরুর মাংসও বিক্রি করেছে বলে বাজারে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে গাড়াখালীর বিপরীতে ভারতের হাকিমপুর সোনাই নদী সংলগ্ন রাস্তার উপর ভারতীয়রা একটি মরা গরুর চামড়া ছাড়িয়ে মাংস বাংলাদেশে পাচার করে দেয়। এদিকে সীমান্তসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দেদারছে ভারতীয় গরুর মাংস বিক্রি হওয়ায় স্থানীয় মাংস বিক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। ভারতীয় গরুর মাংস উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, গোয়ালচাতর, চান্দা, সোনাবাড়িয়া, রামকৃষ্ণপুর, গয়ড়া, সরসকাটি, খোরদো ও কাজিরহাট বাজারে বিক্রি হওয়ার কারণে তাদের ব্যবসা লাটে ওঠার উপক্রম হয়েছে।



error: Content is protected !!