দেবহাটায় ছাত্রবন্ধু পরিষদের নতুন কমিটি গঠন


প্রকাশিত : মার্চ ২৪, ২০১৩ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অবশেষে দেবহাটা ছাত্রবন্ধু পরিষদের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন শফিউর রহমান বকুল। শনিবার সংগঠনটির এক জরুরী সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভায় সংগঠনটির ২৯৪ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজাদ সরদার, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ছাত্রবন্ধু পরিষদের সাবেক আহবায়ক শফিউর রহমান বকুল প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান।
সভায় নব নির্বাচিত সভাপতি শফিউর রহমান বকুল লিখিতভাবে জানান, ২০০৫ সালের ১০ ফেব্র“য়ারি স¤পূর্ণ অরজানৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছাত্র বন্ধু পরিষদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বর্তমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক সে সময় প্রতিষ্ঠান কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ২০০৫ সালে জেলার দেবহাটা, আশাশুনি কালিগঞ্জের একাংশ নিয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনীত হন ডা. আ ফ ম রুহুল হক। পরবর্তীতে ছাত্রবন্ধু পরিষদ ডা. আ ফ ম রুহুল হকের অকুণ্ঠ সমথনণ দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ছাত্র বন্ধু পরিষদের কর্মীরা বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পক্ষে কাজ করে। নির্বাচনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারি মোশারেফ হোসেন খোকন তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। নির্বাচনী প্রচারণায় সংগঠনটির ৬২ হাজার টাকা প্রদান করেন। কিন্তু এসব বরাদ্দের টাকা মন্ত্রীর এপিএস মোশারেফ হোসেন খোকন প্রতিষ্ঠানে না দিয়ে আত্মসাত করেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির সাথে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। বক্তারা আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে বারবার ছাত্রবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করতে চাইলেও তা মোশারেফ হোসেন খোকনের কারণে হয়ে ওঠেনি। বরং মোশারেক হোসেন খোকন নানা ষড়যন্ত্র করে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যায়। বক্তারা ছাত্রবন্ধু পরিষদকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহব্বান জানান।