আধুনিক কপিলমুনির স্থপতি বিনোদ বিহারী সাধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা


প্রকাশিত : জানুয়ারি ১৮, ২০১৪ ||

পলাশ কর্মকার/মজুমদার পলাশ, কপিলমুনি: দক্ষিণ খুলনার অন্যতম দানবীর রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু মাত্র ৪৫ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনের প্রতিটি সময় সমাজ ও মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তিনি একাধারে বিনোদগঞ্জ, ভরতচন্দ্র ২০ শয্যা হাসপাতাল, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির নামক বিদ্যালয়, অমৃতময়ী টেনিক্যাল স্কুল, বেদ মন্দির, কালী মন্দির, সহচরী সরোবর ও বিনোদ ভবন প্রতিষ্ঠা করেন। বিনোদ বিহারী সাধুর সমাজ সেবা ও কর্মদক্ষতার পুরস্কার হিসেবে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তাঁকে রায়সাহেব উপাধিতে ভূষিত করেন। প্রাচীন জনপদ কপিলমুনির উন্নয়নের জন্যই যেন জন্ম হয় তাঁর। তাঁর জীনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুসরণ করা উচিৎ।
কপিলমুনিতে গুণীজন স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে শুক্রবার বিকাল ৪টায় সভাপতি আব্দুস সবুর আল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সহ- সভাপতি আবু কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মল্লিক রবিউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অর্জুন কর্মকার, পাঠাগার সম্পাদক সীমন্ত দাশ, সদস্য মনিসংকর বিশ্বাস, প্রদীপ সরকার, আজিজুর রহমান, তৃপ্তি সেন প্রমুখ।
এদিকে, আধুনিক কপিলমুনির স্থপতি রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী বিশেষভাবে স্মরণে রাখতে করতে কপিলমুনি (বিনোদগঞ্জ) বণিক সমিতির আহ্বানে বাজারের সকল দোকানপাট বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা।