আশাশুনি উপজেলা নির্বাচনে ২১ প্রার্থীকেই বৈধ ঘোষণা


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৮, ২০১৪ ||

শেখ তানজির আহমেদ/আহসান হাবিব: মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আশাশুনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ২১ প্রার্থীকেই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশীল অনুযায়ী সোমবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং অফিসার ও সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহাসীন আলী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন, আশাশুনি উপজেলা নির্বাচন অফিসার শেখ শরিফুল ইসলাম, প্রার্থী ও তাদের প্রস্তাবক-সমর্থকরা।
এর আগে ২৫ জানুয়ারি আশাশুনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
চেয়ারম্যান পদের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোস্তাকিম, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সরদার হাফিজুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু, সাবেক এমপি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা এড. স ম সালাহউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপাতি ও আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএম আকবর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসান, আশাশুনি উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এবং শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শহীদ ও সাবেক এমপি মাও. রিয়াছাত আলীর ছেলে জামায়াত নেতা নূ.আ.ম. মুরতাজুল আলী।
ভাইস চেয়ারম্যান পদের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জিএম মতিয়ার রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা এবং আশাশুনি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মফিজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সহ-সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলি, সাংবাদিক শেখ জাহিদুল ইসলাম তোতা, আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক হিরুলাল বিশ্বাস, বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক এসএম মাহফিজুল ইসলাম এবং সাংবাদিক হাবিবুর রহমান।
এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক পারভিন নাসিমা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুসের স্ত্রী ও উপজেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহানারা খাতুন, আশাশুনি সদরের শায়লা পারভিন এবং সাবেক ইউপি সদস্যা মজিদা খানম।
জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।