কেশবপুরে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সর্দার কালা রজব নিহত


প্রকাশিত : February 17, 2014 ||

এমএ রহমান, কেশবপুর: কেশবপুর থানা পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ২৩ মামলার আসামি, ডাকাত সর্দার রজব আলী ওরফে কালা রজব (৪১) নিহত হয়েছে। এ সময় তিন পুলিশ অফিসার আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি শার্টার গান, দু’রাউন্ড গুলি ও একটি ছোরা পুলিশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার মীর্জানগর কবর স্থান নামক স্থানে এ বন্দুক যুদ্ধ ঘটে।
পুলিশ হেফাজতে রজব আলীর মৃত দেহ যশোর সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্যে প্রেরণ করা হয়েছে।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জলিল জানান, কেশবপুরের মীর্জানগর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ ওরফে কেদু বিশ্বাসের পুত্র রজব আলী ওরফে কালা রজব দীর্ঘদিন পলাতক থেকে কেশবপুরসহ পার্শ্ববর্তী থানা এলাকায় হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করে আসছিলো। তার নামে ৪টি হত্যা, ১৩টি ডাকাতি, অস্ত্র, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ ২৩টি মামলা রয়েছে। গত শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে পুলিশ পার্শ্ববর্তী ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া এলাকা থেকে ডাকাত সর্দার রজবকে আটক করে। রোববার ভোর রাতে তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ উপজেলার মীর্জানগর কবর স্থান নামক স্থানে অস্ত্র উদ্ধার করতে গেলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা রজবের সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়লে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এসময় পুলিশ ১৩ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেছে। গুলি বিনিময়ের সময় পালাতে যেয়ে গুলিবিদ্ধ হয় রজব। বন্দুক যুদ্ধে থানার এসআই সুব্রত সরদার, এসআই আকরাম হোসেন ও এসআই কৃষ্ণপদ গাইন আহত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। গুলিবিদ্ধ রজব আলীকে উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। এদিকে ডাকাত কালা রজবের মৃত্যুর খবরে উপজেলার মির্জানগর সাতবাড়িয়া এলাকায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফেরায় তারা মিষ্টি বিতরণ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।