নিউজিল্যান্ডে ৩ শতাধিক তিমির মৃত্যু


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৭ ||

পত্রদূত ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের গোল্ডেন বে সমুদ্র সৈকতে এক সঙ্গে প্রায় ৪০০ তিমি আটকে যায়। এর মধ্যে ৩ শতাধিক তিমিকে ইতিমধ্যেই মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ওই উপকূলে আটকে পড়া বাকিদের বাঁচানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তার কোনো কূলকিনারা এখনো করতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা।
বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি ও বিবিসির খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে তিমি আটকে থাকার খবর পায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। এরপর শুক্রবার সকালে সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। তবে রাতে অভিযান শুরু হলেও তিন শতাধিক তিমি নিউজিল্যান্ডের উপকূলে আটকে পড়ে মারা গেছে। এখনো আটকে পড়া শতাধিক তিমি বাঁচাতে শত শত স্থানীয় লোক ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। তিমিগুলোকে সঠিক পথ দেখিয়ে আবারও পানিতে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা করছেন তাঁরা। কিন্তু এত বড় বড় প্রাণী সঠিক পথে ফেরত পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।
নিউজিল্যান্ডে এর আগেও দুবার এমন বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ১৯১৮ সালে দূরবর্তী চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে ১ হাজার তিমির মৃত্যু হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে সমুদ্রের তীরে এসে ৪৫০টি তিমির মৃত্যু হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিমিরা ঠিক কোন কারণে উপকূলে এসে আটকে পড়ছে, তা তাঁরা জানতে পারেননি। তবে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনায় প্রচুর তিমি মারা যেতে দেখা যায়। অনেক সময় একটি তিমি আটকে পড়লে সেখান থেকে সংকেত পেয়ে আরও তিমি এসে আটকে পড়ে।
অনেক সময় সমুদ্রের মাঝ থেকে তুলনামূলক কম গভীরতার এলাকায় তিমি সন্তান প্রসব করতে আসে। কিন্তু তুলনায় বেশি অগভীর জলে চলে এলেই তিমি আটকে যায়। আবার বয়স হয়ে গেলে অসুস্থ বা দুর্বল তিমিও সৈকতে এসে আটকে যায়।