পাচারকালে কলারোয়া সীমান্তে তিন তরুণী উদ্ধার: আটক পাঁচ


প্রকাশিত : মার্চ ১৭, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: ওমানে ভাল চাকরির লোভ দেখিয়ে পাচারকালে তিন তরুণীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনতা। এসময় আটক করা হয় পাঁচ পাচারকারিকে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কলারোয়া  উপজেলার দমদম বাজার থেকে তাদেরকে উদ্ধার ও আটক করা হয়। তাদেরকে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমাস্ত দিয়ে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচিছল।
আটককৃতরা হলো নেয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার আলায়ারপুর গ্রামের সাকেরুল কবির ওরফে ইকবাল, নারায়ানগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার বারদি গ্রামের মাহমুদুল হাসান ওরফে সুমন, ঢাকা ডিএমপির শাহাজনপুর থানার শান্তিবাগ এলাকার হাবিবুল্লাহ, শরিয়তপুর জেলার ডামুডা থানার কানাইকাটি গ্রামের আক্কাজ আলী বাবু ও ইব্রাহিম হোসেন।
উদ্ধার হওয়া তিন তরুনী হলো চট্রগামের সিএমপির বায়োজিদ থানার পার্শে তাজু মাষ্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া নাহিদা বেগম (২২) সুমি বেগম (১৯) ও আরজু আকতার (১৮)।
উদ্ধার হওয়া তরুণী নাহিদা বেগম জানায়, তারা তিন জন কম বেতনে গার্মেন্টস্ এ চাকরি করে। গত দুই মাস পূর্বে পাচারকারি সাকেরুল কবির ওরফে ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান ওরফে সুমনের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে দুই পাচারকারি তাদের তিনজনকে ওমানে নিয়ে বেশী বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখায়। গত ১৫ মার্চ রাতে আসতে বলা হয় যশোরে। পরে পাচারকারিরা কলারোয়া সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যায়। বিষয়টি তাদের সন্দেহ হলে উপজেলার দমদম বাজারে পৌছালে তরুণীরা ডাক চিৎকার করলে স্থানীয় জনতা তাদেরকে উদ্ধার। আটক করা হয় পাচারকারিকে। পরে তাদরেকে থানা পুলিশের সোপর্দ করে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এমদাদুল হক শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এবিষয়ে নাহিদা বেগম বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় এমটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের অবিভাবকদের খবর পাঠানো হয়েছে। তারা আসার পর তরুণীদের নিরাপদে নিজ গ্রামে ফেরত পাঠানো হবে।