দেবহাটায় জলাশয়ের পাশে পাইলিং বসিয়ে রাস্তা সংস্কারের দাবি এলাকাবাসির


প্রকাশিত : মার্চ ২১, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাস্তার দু’পাশে পাইলিং না করে রাস্তা সংস্কারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেবহাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের জনগণ। তারা দরপত্র সংশোধন করে বাস্তবতার ভিত্তিতে এ রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাহী প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের দেবহাটা উপজেলা উপসহকারি প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাতশালা গ্রামের রুমানা খাতুনের বাড়ি থেকে ভাতশালা উত্তরপাড়া মহব্বতের বাড়ির মোড় পর্যন্ত দু’ কিলোমিটার ১০০ মিটার রাস্তা ছয় ফুটের স্থলে ১৬ ফুট করে বাড়ানো ও পাকা করার (পিচ) জন্য গত বছরের ২ মে দরপত্র আহবান করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরার মেসার্স শফি এন্টারপ্রাইজ এক কোটি সাত লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৭ টাকায় এক কাজ করার জন্য ওই বছরের ১৮ মে কার্যাদেশ পান।
দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর গাজী জানান, ভাতশালা সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম। এখানে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি বাজার ও একটি বিজিবি ক্যাম্প। সেই হিসেবে বিশ্বাস বাড়ির মোড় থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত মজবুত রাস্তার অবশ্যই দরকার। উপসহকারি প্রকৌশলী সেলিম রেজা রাস্তা সংস্কারের আগে বাস্তবতা অনুযায়ী সবকিছু যাঁচাই না করেই দরপত্র আহবান করেছেন বলে তার মনে হয়েছে। কারণ ভারী যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তা পাকাকরণের আগে জলাশয় সংলগ্ন রাস্তার পাশে পাইলিং এর কোন বিকল্প নেই। পাইলিং ছাড়া রাস্তার উপর রোলার মেশিন চালালে রাস্তার বর্ধিত অংশ ও রোলার উভয়ই চলে যেতে পারে পুকুরের মধ্যে। তাই বরাদ্দ টাকা নষ্ট না করে দরপত্র পূর্ণমুল্যায়ন করে কাজ শুরুর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলবেন।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স শফি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শফিউর রহমান জানান, জনস্বার্থে পাইলিং ছাড়া প্রায় ৩০০ মিটার রাস্তার সংস্কার ও বাড়ানোর কাজ করা যাবে না মর্মে তিনি উপসহপ্রকৌশলী সেলিম রেজাকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী বিজন কুমার কর্মকার জানান, তিনি মায়ের বার্ষিক মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাড়িতে গেছেন। সরেজমিনে ভাতশালায় যেয়ে পাইলিং এর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেবেন।