পৌরসভার ময়লা ও পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে চলাচল করা দায়


প্রকাশিত : এপ্রিল ২০, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: পৌরসভার ময়লা ও পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া এলাকা দিয়ে চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে। সাধারণ পথচারিরা নাক মুখ টিপে ধরেও রক্ষা পাচ্ছে না। পাকা রাস্তার দুই পাশে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন মৃত পশু ফেলে রাখা হচেছ। সড়ক দিয়ে চলছে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনধিরা। উপরোক্ত কর্মকর্তরা প্রাইভেট যোগে যাওয়ায় তাদের গন্ধ লাগে না। গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলতে পারছে না সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া এলাকায় পাকারাস্তার দুই পাশে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভার থেকে ময়লা আবর্জনা, গরু ছাগলসহ পচা নিয়ে আসা হচ্ছে ময়লা ফেলা গাড়িতে। ফেলে যাওয়া ময়লা পচার গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাচল দায় হয়ে পড়েছে। শহরের টার্মিনাল এলাকার খোকন ও অপর একজন জৈনক ব্যক্তির জমিতে ময়লা ফেলে ভরাট করা হচ্ছে।
কথা হয় সদরের বলাডাঙ্গা গ্রামের আবুল খায়ের রফিক, আব্দুল কাদের, তুজলপুর গ্রামের গোলাম রহমান, আমজাদ হোসেন, ঝাউডাঙ্গা এলাকার আব্দুল খালেক, লিয়াকাত আলি, জানান, রাস্তা দিয়ে চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে। রাস্তার ধারে গরু ও ছাগল মরা ফেলে দিয়ে যায় সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভা থেকে। শহরের ময়লায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। ময়লা ও পচা গন্ধে আধা কিলোমিটার আগে থেকে দম বন্ধ হয়ে আসে। নাক চেপে রাখতে হয় একই সময় ধরে। সবচেয়ে পথচারিদের বেশি সমস্যয় পড়তে হয়। রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারিরা বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ময়লা ফেলা জরুরীভাবে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার সুজিত কুমার রায় জানান, এ ধরণের গন্ধের কারণে শিশুদের নিউমোনিয়া ও বড়দের এজমা ও ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে।
পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি জানান, আমার কিছু করার নেই। ময়লা ফেলার জায়গা নেই। ভরাট করার জন্য ময়লাগুলো ফেলা হচ্ছে। ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হলে লিখিত আবেদন করতে হবে।