চুকনগরে ব্যক্তি মালিকানা জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ


প্রকাশিত : মে ৫, ২০১৭ ||

চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি: চুকনগরে ব্যক্তি মালিকানা জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জমির মালিক বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে খুলনা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে মামলা করার কারণে আসামী পক্ষ সময়ে অসময়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। ফলে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে। এমনকি তার জমির উপর দিয়ে ইটের সোলিং দেয়ার পায়তারা করছে আসামী পক্ষ।
প্রাপ্ত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ডুমুরিয়া উপজেলার বেতাগ্রামের মৃত বাবর আলী গাজীর পুত্র ছাকাম গাজী ১৯৮৫ সালে মালতিয়া মৌজায় নরনিয়া গ্রামের কেরাম উদ্দিন মোড়লের পুত্র মফেজ মোড়লের কাছ থেকে ৩৮শতক জমি ক্রয় করে। পরবর্তীতে ছাকাম গাজী তার ক্রয়কৃত ৩৮শতক জমি হতে সাড়ে ২২শতক জমি বিক্রয় করে দেয় এবং বাকী সাড়ে ১৫শতক জমি সেই থেকে তিনি ভোগ দখল করে আসছেন।

 

দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জমি নিয়ে তাকে কোন সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়নি। কিন্তু গত ৬মার্চ মালতিয়া গ্রামের কাওসার মোড়লের পুত্র মো. সামাদ মোড়ল, সুকুমার পরামানিকের পুত্র কৃষ্ণ পরামানিক এবং জমাদ্দার গাজীর পুত্র ক্দ্দুুস আলী গাজী তাদের দলবল মিলে দা, লাঠি, শাবল ও কুড়াল দিয়ে তার জমিতে প্রবেশ করে তা জবর দখলের চেষ্টা করে এবং সেখানে মাটি দিয়ে ভরাট করে রাস্তা বানানোর চেষ্টা করে। তখন জমির মালিক পক্ষ তাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে আসামী পক্ষ তাদের গালিগালাজ সহ জমি থেকে জোর পূর্বক তুলে দেয়। এ ঘটনায় জমির মালিক ছাকাম গাজী বাদী হয়ে ৩জনকে আসামী করে খুলনা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার নং এমপি-১৫৪/২০১৭ এবং সেখানে ফৌ. কা. বি. ১৪৪/১৪৫ধারা বলবত করা হয়েছে। তারপরও আসামী পক্ষ বর্তমানে তার জমির উপর দিয়ে ইটের সোলিং দেয়ার পায়তারা করছে। এব্যাপারে জমির মালিক ছাকাম গাজী বলেন, সিএস/২৭, এস এ/৬২ ও আর এস/৯২ জরিপে সাবেক ৩৩দাগ এবং ভিপি ৩৩/১৪৯, ৩৩/১৫১ দাগে আমার ৩৮শতক জমি বলবত রয়েছে। এ থেকে আমি সাড়ে ২২শতক জমি বিক্রয় করে দেয় এবং বাকী সাড়ে ১৫জমি আমি ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। কিন্তু সামাদ মাষ্টার, কৃষ্ণ পরামানিক ও কুদ্দুস মিলে আমার সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে। একারণে আমি নিরুপায় হয়ে আমার বাজারের সম্পদকে রক্ষা করার জন্য মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।