আশাশুনির হাসেম গংয়ের কবল থেকে ৩৭৫ বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : জুলাই ১৭, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনির গুড়গুড়ি ও বাউশুলি মৌজার ৩৭৫ বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে রেখেছে চাপড়ার হাসেম-সালাউউদ্দিন চক্র। ১৯৩৩ সালে এ জমি দেবতার নামে উৎসর্গ করা হয়। ১৯৬০ সাল থেকে পাওয়ার নামা বলে জমির তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পান পাইথালি গ্রামের অসিত কুমার রাহা। দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলায় জিতেও সে জমি তাদের কবল থেকে রক্ষা করা যাচ্ছে না।
রোববার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে অসিত রাহা বলেন ১৯৬০ সালে চাপড়া গ্রামের আবদার রহিম জাল দলিল সৃষ্টি করে মামলা করে হেরে যান। এ সময় থেকে তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে অসিত রাহা দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন যে ১৯৮৪ সালে আরও কিছু জাল কাগজপত্র তৈরি করে প্রতিপক্ষ হাসেম সালাহউদ্দিন ও তাদের সহযোগীরা ওই জমি দখল করার লক্ষ্যে হামলা করে ও বোমাবাজি করে তার ভাই গনেশ রাহাকে হত্যা করে। এ সময় শক্তি প্রদর্শন করে তারা দেবোত্তর সম্পত্তি দখল করে নেয়। তিনি জানান, তারা এখনও সে জমি জবর দখলে রেখেছে প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে। এ ব্যাপারে হাইকোর্ট ও সুপ্রীম কোর্টের মামলায় হেরে যেয়েও তারা জমি ছাড়েনি। তিনি বলেন, দখলদার চক্রটি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। একাত্তরে তাদের গুলিতে সাতক্ষীরায় প্রথম শহীদ হন আবদুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, ১৯৬০ সাল থেকে আবদার রহিমরা ষড়যন্ত্র করতে থাকায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়। সেই অবধি তিনি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান অসিত রাহা।
৮৫ বছরের বৃদ্ধ অসিত রাহা বলেন, আমার জীবনের শেষ চাওয়া দেবোত্তর সম্পত্তি হাসেম গংদের কবল থেকে রক্ষা। এ ব্যাপারে তিনি দেশের গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।