ডুমুরিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে জুয়াড়ীরা


প্রকাশিত : জুলাই ১৭, ২০১৭ ||

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি: ডুমুরিয়ায় প্রশাসনিক চাপে চিহ্নিত জুয়াড়িরা কিছু দিন চুপচাপ থাকলেও হঠাৎ করে তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তারা পরিচালনা করছে জমজমাট জুয়ার আসার। উপজেলার বিভিন্ন স্পট বেছে নিয়েছে এই চক্রটি। আর এ আসরে অংশ নিচ্ছে খুলনা জেলাসহ আশপাশ এলাকার বাঘা বাঘা জুয়াড়ীরা।
জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার জুয়াড়িরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রশাসনিক চাপে তারা কিছুটা ছিন্ন-ভিন্ন অবস্থায় থাকলেও বর্তমানে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন উপজেলার কোথাও না কোথাও আসরের আয়োজন করছে ওই চক্রটি। আর এ জন্য তারা বেছে নিয়েছে বিভিন্ন বিলের ভিতরে থাকা মৎস্য ঘেরের বাসা। মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে জুয়াড়ীদের স্পটের বিষয়ে জানান দেয় আয়োজকরা। আর ঠিক সময় মত হাজির হয় জুয়াড়ীরা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ খেলা চলে। তবে প্রশাসনের নজর এড়াতে তাদের রয়েছে কঠিন জনবল। মোড়ে মোড়ে বসানো থাকে নিরাপত্তা কর্মী। কোন প্রকার পুলিশি উপস্থিতি দেখলেই খবর পৌঁছে যায় নিয়ন্ত্রণকারীর নিকটে। আবার জুয়াড়ীদের আপ্যায়নের কাজেও আলাদা আলাদা কর্মী রাখা  আছে। পান-সিগারেটসহ খাদ্য সামগ্রী ওই কর্মীরা সরবরাহ করে থাকে। তবে একই স্থানে তারা বেশি দিন অবস্থান করে না। তিন থেকে সর্বোচ্চ চার দিন তারা একই জায়গায় অবস্থান করে। এরমধ্যে খলশি গাজী বাড়ির পাশে বিলে, মাধবকাঠি বিলে মৎস্য ঘেরের বাসায়, খর্ণিয়া বাজারের তেল-পাম্পের উত্তর পাশে, বারুইকাঠি গেটের পাশে, আঠারো-মাইল বাজারের পাশে রয়েছে স্পষ্ট। আর এ আসর নিয়ন্ত্রণ করে উপজেলার চিহ্নিত কয়েক জন জুয়াড়ী। ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাস বলেন-জুয়াড়ীদের তৎপরতার খবর আমি পেয়েছি। ক্ষমতাসীন দলের কিছু সংখ্যক নেতার গোপন ইন্ধনে তারা বেড়ে উঠেছিল। আমি যোগদানের কিছু দিন পরে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে প্রাথমিক ভাবে তাদেরকে থানায় ডেকে জুয়া-কারবার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। বর্তমানে তাদের জুয়া-কারবার বন্ধ। তা ছাড়াও অভিযান অব্যাহত রয়েছে, সেক্ষেত্রে কোন জুয়াড়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না ।