চুকনগরে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা, ১৪৪ধারা জারি


প্রকাশিত : আগস্ট ১২, ২০১৭ ||

চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ চুকনগরে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করছে প্রতিপক্ষরা। এঘটনায় তারা হিংসার বশবর্তী হয়ে ৮জনকে আমাসী করে একটি মিথ্যা মামলা করেছে।
সুত্র মতে জানাযায়,চাকুন্দিয়া মৌজার ৩২৬দাগে এবং ১৪০ এসএ খতিয়ানে (ডাঙ্গার জমি) রায়চরণ পরামানিকের পুত্র অখিল পরামানিক ৪১শতক জমির মালিক। সেই মোতাবেক ১৯৫৬সালের ২০জুন অখিল পরামানিক তার ৪১শতক সম্পত্তির মধ্যে একই গ্রামের পার্বত্য পরামানিকের পুত্র যোগেন্দ্র পরামানিক কাছে সাড়ে ২০শতক ও পঞ্চানন কর্মকারের পুত্র উপেন কর্মকারের কাছে সাড়ে ২০শতক বিক্রয় করেন। পরে ১৯৫৮সালের ৩সেপ্টেম্বর পঞ্চানন কর্মকারের পুত্র উপেন কর্মকার তার ক্রয়কৃত সাড়ে ২০শতক জমিও যোগেন্দ্র পরামানিক কাছে বিক্রয় করেন। অথ্যাৎ যোগেন্দ্র পরামানিক ২দলিলে মোট ৪১শতক জমির ক্রয় করে। সেই থেকে তিনি বা তার ওয়ারেশগণ ক্রয়কৃত ৪১শতক জমি দীর্ঘ ৬০বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছেন এবং নিয়মিত ভূমি কর পরিশোধ করে আসছেন। প্রিন্ট পর্চায়ও যোগেন্দ্র পরামানিকের ৩ পুত্র অনন্ত পরামানিক,অমর পরামানিক ও সুকুমার পরামানিকের নামে ৪১শতক জমি রেকর্ড হয়েছে। এছাড়া প্রতিপক্ষরা বিভোর হয়ে জমি পাওয়ার নেশায় যে মামলা করেছিল তার রায়ও যোগেন্দ্র পরামানিকের ওয়ারেশ গনের পক্ষে দেয় আদালত। কিন্তু তারপরও প্রতিপক্ষরা জমিটি ভোগ দখলের জন্য বিভিন্ন ধরণের পায়তারা করছে। গত ৯আগষ্ট যোগন্দ্র পরামানিকের ওয়ারেশগন তাদের দখলকৃত জমিতে গেলে প্রতিপক্ষরা জোর পূর্বক জমি থেকে তুলে দেয়ার জন্য তাদের উপর স্বশস্ত্র হামলা চালায়। প্রতিপক্ষরা শুধু হামলা চালিয়েই ক্ষান্ত নি। বরং হিংসার বশবর্তী হয়ে যোগন্দ্র পরামানিকের ওয়ারেশ গনের ৮জনকে আসামী করে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডুুুমুরিয়া থানার এসআই মতিউর রহমান গতকাল তদন্তে এসে পরিস্থিতি বিবেচনা করে উক্ত জমির উপর ১৪৪/১৪৫ ধারা বলবত করেন এবং আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে জমিতে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। এব্যাপারে মামলার বাদী দেবদাস শীল বলেন জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। রায় আমাদের পক্ষে এলে আমরা জমির দখলে যাব। রায় বিপ্েক্ষ গেলে আমরা জমি ছেড়ে দেব। এব্যাপারে মুক্তি পরামানিক বলেন ওরা আদালতে একটি মামলা দিয়ে আমাদের ক্রয়কৃত জমি দাবি করেন। কিন্তু আদালত আমাদের কাগজ পত্র দেখে রায় আমাদের পক্ষে দিয়েছে। সেই মোতাবেক আমরা জমিতে গেলে ওরা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে উল্টো আবার আমাদের নামে হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেছে।