কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ কমিটিতে ভুঁইফোড়, জ্বালাও-পোড়াও মামলার আসামীতে সয়লাব


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭ ||

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ থানার ১নং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের সদ্য ঘোষিত শ্রমিকলীগ ও বিভিন্ন সহিংসতা মামলার আসামীদের উপস্থিতিতে জয়জয়কার। ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দদের অভিযোগে জানা যায় ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর নজরুল ইসলাম, পূর্বে জাতীয় পার্টি করতেন। কিছুদিন তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলীবক্স গাইনের কাছ থেকে ফরম নিয়ে বিএনপিতে নাম লিখিয়েছিলেন। পুনরায় সুযোগের সন্ধানে বড় মাছ হাত ছাড়া না করে শ্রমিকলীগের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক হয়ে বসেছেন। এছাড়া ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর যাকে সহ-সভাপতির পদে আসীন করা হয়েছে। তিনি বিএনপি’র একজন পরিশ্রমি কর্মী। ৫নং সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম জামায়াতের কর্মী, ৭নং সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান তরফদার ফতেপুর জ্বালাও পোড়াও (৮৫, ৮৭ নং) মামলার আসামী, তাছাড়া অর্থবিষয়ক সম্পাদক শহীদুল জামায়াতের কর্মী, দপ্তর সম্পাদক নুরুল আমিন ৭নং ওয়ার্ডর বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। তার নামে বহু সহিংসতা মামলা চলমান আছে। সহ শিক্ষা সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক মহব্বত আলী কৃষ্ণনগর কালিকাপুর তালতলা জ্বালাও-পোড়াও মামলার আসামী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা বিএনপির কর্মী। এছাড়া ৪২, ৪৩ ও ৪৫ নং কার্যকরী সদস্য আ. সালাম, মুনজুর কাদির, বিএনপির কর্মী ও তাইজুল ইসলাম শিবির কর্মী ও ৩৩নং কার্যকরী সদস্য ফারুক হোসেন বিএনপির কর্মী। মোটকথা ৯ জন বাদে ৪৫ জনের মধ্যে ৩৬ জন বিভিন্ন দল ও জ্বালাও-পোড়াও  এবং সহিংসতা মামলার আসামী নিয়ে ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ কমিটি সাজানো হয়েছে। যেখানে আওয়ামী লীগের ইউনিয়নের ত্যাগী, পরিশ্রমি ও পরীক্ষিত কর্মীরা বাদ পড়েছেন। তাই কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের দাবি এভাবে যাচাই-বাছাই না করে একটি কমিটি ভুঁইফোড়দের দিয়ে উপস্থাপন যারা করেছে এটা দু:খজনক হলেও এখন আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী ও পরিশ্রমি কর্মীরা ইতোমধ্যে এইসব কমিটি দেখে হতবাক ও স্তম্ভিত হয়েছে। আর এভাবে ভুঁইফোড় দিয়ে কমিটি গঠন করা হলেও গোটা আওয়ামী লীগ তথা দল অচিরেই আস্তে আ¯েস্ত বিলীন হয়ে যাবে।