বাঁগআচড়ায় পটলের হাট জমজমাট


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭ ||

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): সর্ব বৃহৎ ‘পটলের হাট’ যশোরের বাগআঁচড়া। যে হাটে শার্শা, ঝিকরগাছা ও কলারোয়াসহ তিনটি উপজেলার কৃষকরা সরাসরি তাদের উৎপাদিত সবজি ক্রয়-বিক্রয় করেন। এ হাট থেকে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ হাজার মণ পটল যাচ্ছে বেনাপোল যশোর খুলনা ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর পটলের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন ও দাম ভাল পেয়ে খুশি বিক্রেতা-কৃষকের মুখে নির্মল হাসি। উপজেলায় এবার লক্ষমাত্রা অতিরিক্ত পটলের চাষ হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।
চাষী জহর আলী ও ফরিদুর ইসলাম বলেন, তারা ৮হাজার টাকা খরচ করে ১০কাঠা জমিতে পটলের চাষ করেছেন। ৪০হাজার টাকার পটল বিক্রি করেছেন আরো ২০ হাজার টাকার পটল বিক্রি হবে বলে আশা করেন তারা।
প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই চাষি, পাইকার, মজুরের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে যশোরের শার্শা উপজেলাধীন বাঁগআচড়া পটলের বাজার। নাভারন সাতক্ষীরা মহাসড়কের বাগআচড়া বাজারের দু’পাশে দূরদূরান্ত থেকে পটল কিনতে আসছেন পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। সকালে বিভিন্ন এলাকার চাষিরা তাদের উৎপাদিত পটল সরাসরি নিয়ে আসেন বাজারে। প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০টাকা দরে আড়ৎদারদের কাছে বিক্রি করেন তারা। পাকারাস্তার ধারে বস্তায় ভরে থরে থরে সাজানো পটল, পিকআপ ও ট্রাক ভরে পাঠানো হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো দেশের বিভিন্ন এলাকার বড় শহরে।
স্থানীয় আড়ৎদার ও ব্যাপারীরা বলেন, এক মাস আগে যেখানে প্রতিকেজি পটল বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১২ থেকে ১৫ টাকা। এখন কেজিতে বেড়েছে ১০টাকা। ফলে লাভবান হচ্ছে চাষী।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার, উচ্চ মূল্যের ফসল হিসেবে পটল চাষে কৃষদের সহযোগিতা ও উৎসাহ দেওয়ায় বাড়ছে চাষ। চলতি খরিদ মৌসুমে শার্শা উপজেলায় পরিত্যক্ত জমিসহ ৩১৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের পটলের চাষ হয়েছে। এবার পটলের ফলন ও দাম ভাল পেয়ে খুশি চাষী। এলাকায় পটলের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন জেলা শহরে।