এসএম রুহুল আমিনের দাফন ঢাকা করায় এমপি রিফাত আমিনের দু:খ প্রকাশ


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৭ ||

স্বামী প্রবীণ আ’লীগ নেতা এসএম রুহুল আমিনের দাফন সংক্রান্ত বিষয়ে দু:খ প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন সংরক্ষিত নারী সাংসদ রিফাত আমীন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার স্বামী মরহুম এসএম রুহুল আমিন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি। এছাড়াও তিনি সাতক্ষীরার বহু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাসহ সমাজ সেবামূলক কাজে এলাকায় ব্যাপক সমাদৃত। তিনি গত কয়েক মাস যাবত হার্টের সমস্যার কারণে রাজধানী ঢাকায় এ্যাপোলো হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামস মনোয়ারের তত্ত্বাধানে চিকিৎসারত ছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে গত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা স্বামীর খেদমত করার জন্য মহান জাতীয় সংসদের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ন্যাম ভাবনে ৭০৩ নং ফ্ল্যাটে উদযাপন করতে বাধ্য হই। কিন্তু গত ৬ সেপ্টেম্বর’২০১৭ তারিখ সকাল সাড়ে ১০টায় ন্যাম ভবনের ৭০৩ নং ফ্ল্যটে আমার হাতের উপর শয্যাসায়ী অবস্থায় পৃথিবীর মায়া করে চির বিদায় নেন। আমি তখন কি করব কিছু বুঝতে পারছিলাম না। উল্লেখ্য আমার জেষ্ঠ্য পুত্র মেহরাজ সরোয়ার কানাডা প্রবাসী, জেষ্ঠ্য কন্যা রাহিমা নাহার আমেরিকা প্রবাসী। তারা আমার স্বামীর মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে আমাদের সাথে ১০/১২ দিন কাটিয়ে তাদের কর্মস্থলে ফিরে যায়। আমার জানা মতে, ইসলামী বিধান অনুযায়ী কারও লাশ যতদ্রুত সম্ভব দাফন করাই উত্তম। আমাদের ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করা অত্যাবশ্যক। তাছাড়া আমার স্বামীর লাশ ঢাকা থেকে সুদূর আশাশুনির কাঁদাকাটি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামে নিয়ে দাফন করা অনেক কষ্ট সাধ্য ও সময়ের ব্যাপার। তাই পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও ধর্মীয় বিধান মেনে আমার স্বামীকে কেন সাতক্ষীরায় দাফন করা হলো না তা নিয়ে আপনাদের মনে প্রশ্ন উদয় হওয়া স্বাভাবিক। আমি একজন সদ্য স্বামী হারা স্ত্রী হিসেবে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে আমার সন্তানদের সিদ্ধান্তে ও ইসলামী বিধান মেনে আমার ইচ্ছা থাকা সত্বেও তাড়াতাড়ি দাফন করতে বাধ্য হই। তিনি আশা করেন বিষয়টি বুঝার পর আর কারো কোন ক্ষোভ থাকবে না। এছাড়া তার স্বামীর মৃত্যুতে যারা ভালোবাসা ও সমবেদনা জানিয়েছেন তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি