বনদস্যু খতিব ফের বেপরোয়া: প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা


প্রকাশিত : অক্টোবর ১১, ২০১৭ ||

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জেলার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম সুন্দরবনের বনদস্যু জেলেদের ত্রাস সেই খতিব আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, র‌্যাব-০৮ এর সার্বিক প্রচেষ্টায় ইতোপূর্বে পশ্চিম সুন্দরবনের অনেক বনসদ্যু আত্মসমর্পন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পার্শ্বেখালী গ্রামের কুরবান আলী গাজীর পুত্র খতিব গাজী র‌্যাব-৮ এর কাছে আত্মসমার্পন করে। আইনী প্রকিয়ার মাধ্যমে বর্তমানে সে বাইরে আছে। কিন্তু বর্তমানে বনদস্যু খতিবের অত্যাচারে এলাকাবাসি অতিষ্ঠ। খতিব ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের উপর নানা রকম অত্যাচার, জমি দখল করে চলেছে। সরকারের কাছে বনসদ্যু আত্মসমার্পন করার পর সরকার তাদের সুন্দর জীবন যাপন করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। কিন্তু বনদস্যু খতিব আত্মসমর্পনের আড়ালে সুন্দরবনে অবস্থিত বনদস্যুদের সার্বিক সহযোগি হিসেবে কাজ করে চলেছে। বিগত কয়েকদিন আগে একই এলাকার মোফাজ্জেল গাজীর পুত্র নুরু বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড, আত্মসমার্পনকারী বনদস্যু রবিউলের ছোট ভাই বনদস্যু শরিফুল ০২টি অস্ত্র নিয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক এলাকায় জানাজানি হলে খতিব, রবিউল ও রশিদ আলীর সহযোগিতায় বনদস্যু শরিফুল পালিয়ে যায়। একই এলাকার দোলন জানান, তার নদীর চরের দখলীয় জায়গা খতিব হারি দেয়ার শর্তে লীজ হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু সে কোন হারির টাকা প্রদান না করে ভয়ভীতি প্রদান করে। তাছাড়া খতিব বনদস্যুদের নিকট থেকে কাঁকড়া এনে পয়েন্টে ছাড়ে। এলাকার জাহাঙ্গীর বলেন, আমার মাছ খতিব চুরি করে বিক্রয় করতে গেলে জানিজানি হলে আমার সাথে তার ঝগড়া হয়। বিষয়টি জানার জন্য সাংবাদিকবৃন্দ খতিবের নিকট জানতে চাইলে সে সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষা প্রদান করে। এ বিষয়ে র‌্যাব-০৮ ও শ্যামনগর থানা পুলিশকে অবগত করলে বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। অত্র এলাকার জনসাধারণের দাবি আত্মসমার্পনকারী বনদস্যু খতিব র‌্যাবের ভয় দেখিয়ে এ সমস্ত অন্যায় কাজ না করতে পারে তার জন্য র‌্যাব-০৮সহ সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।