আবাদেরহাটে বৃদ্ধার জমি দখল নিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা শওকত ও সহযোগীরা


প্রকাশিত : অক্টোবর ১৩, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলার আবাদেরহাটে আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমিতে থাকা দুটি দোকানঘর জোর করে দখল করে নিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা শওকত হোসেন, তার ভাই ও সহযোগীরা। ওই দোকানে থাকা আমার ভাড়াটেদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার পর আমি নিজে সেখানে থাকতাম। অথচ আমাকে মারধর করে আমার মেয়েদের বেঁধে রেখে মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে তারা। এথন সে ঘরে তালা ঝুলছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেছেন সদর উপজেলার শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী রউফুননেসা। এসময় তার মেয়ে আমেনা বেগম উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন আবাদেরহাটে স্বামীর নামের জমি রয়েছে। ওই জমিতে তিনটি দোকান ছিল। এর একটি ভেঙ্গে ফেলে প্রতিপক্ষ রাস্তা বের করে নিয়েছে। অন্য দুটি দোকান তারা দখল করে নিয়েছে। তিনি বলেন, ওই দোকান আমরা ভাড়া দিয়েছিলাম। কিন্তু শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন ও তার ভাইয়েরা তাকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে রউফুননেসা স্বামীর দোকানে থাকতেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে মারধর করে ও তার মেয়ে আমেনাকে বেঁধে রেখে শওকত বাহিনী দোকান দুটি দখল করে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তিনি বলেন, তার কোনো পুত্র সন্তান নেই। তিন মেয়ে আমেনা, তাহমিনা ও মেহরুন্নেসা শ্বশুর বাড়ি থাকে। আমার এই অসহায়ত্বের সুযোগে শওকত তার ভাই মুজিবর, কওসার, পটল, শাহজাহান, জাহাঙ্গীর, শফিকুল, সোহেলসহ বেশ কয়েকজন ভূমিদস্যু এই জমি কব্জা করে নিতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেন রউফুননেসা। তিনি বলেন তারা জমি কিনেছে ৪৯ দাগে। অথচ দখল করছে ৩৫ দাগের জমি। গোপনে কাগজপত্রও তৈরি করে নিয়েছে।
বৃদ্ধা রউফুননেসা এর প্রতিকার দাবি করেছেন। তিনি বলেন আমার ঘরে আমি উঠতে চাই। ক্ষমতাসীন দলের নেতা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার ঘর দখলে রেখেছেন। শওকত ও তার বাহিনী আমার ঘরের তালা খুলে দিক। তারা তাদের জমিতে চলে যাক। রউফুননেসা এ ব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।