কলারোয়ার পাচার হওয়া শিশু ভারতের হাকিমপুর থেকে উদ্ধার


প্রকাশিত : নভেম্বর ৭, ২০১৭ ||

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া সীমান্ত থেকে ভারতে পাচার হওয়া তিন বছরের শিশু মুস্তাকিম হাসান আপনকে মাত্র চারদিনের ব্যবধানে ভারতের হাকিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করে সোমবার রাতে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলো কলারোয়া থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, কলারোয়ার সীমান্তবর্তী উত্তর ভাদিয়ালি গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী মোছা. নাসরিন সুলতানাকে পাচারকারীরা গত ২ নভেম্বর সকাল ১১টার সময় পানির সাথে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে তার তিন বছরের শিশু পুত্র মুস্তাকিমকে পাচারের জন্য ভারতে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ৪ নভেম্বর দুপুরে আপনের মা মোছা. নাসরিন সুলতানা বাদি হয়ে তিন জনসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলা হওয়ার পরপরই থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত শিশুটি উদ্ধারের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালান। এ বিষয়ে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিজিবি-বিএসএফ’র মধ্যে পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। এরই ফলশ্রুতিতে সোমবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ৭৬ বিএন বিএসএফ বিথারী ক্যাম্প’র মাধ্যমে ভারতের হামিকপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পাচার হওয়া শিশু মুস্তাকিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বিএসএফ শিশু উদ্ধারের খবর বিজিবিকে জানালে কলারোয়ার সীমান্তবর্তী ভাদিয়ালীর ১নং পোষ্ট এর সন্নিকটে বিজিবি-বিএসএফ’র পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মাদরা বিওপি’র বিজিবি সদস্যদের হাতে উদ্ধার হওয়া শিশুকে তুলে দেয়া হয়। রাত ৯টার দিকে বিজিবি সদস্যরা উদ্ধার হওয়া শিশুকে কলারোয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। এরপর থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব দেবনাথ শিশু মুস্তাকিম হাসান আপনকে তার মায়ের কোলে তুলে দেন। রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি মোকাবেলা করা পর প্রিয় শিশু পুত্রকে কাছে পেয়ে যারপর নেই খুশি হন আপনের মা ও তাদের পরিবার। তবে এ ঘটনায় পাচারকারীরা এখনও আটক না হলেও জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে ওসি বিপ্লব দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান।