কেশবপুরÑবেতগ্রাম সড়কের কেশবপুর থেকে ভালুকঘর রাস্তার বেহালদশা


প্রকাশিত : নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ||

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক কেশবপুরÑবেতগ্রাম সড়কের কেশবপুর থেকে ভালুকঘর পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ৭ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ দিন বেহাল অবস্থায় থাকার পর চলতি বছরে ১ কিলোমিটার সংস্কার করা হলেও বাকী সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়ক থেকে যায় জরাজীর্ণ অবস্থায়। যার ফলে ব্যস্ত এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় হাজারো খানা-খন্দগুলি আরো বেশী গর্তে পরিণত হওয়ায় লাখো মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের আগে সংস্কার করা না হলে সড়কটি একেবারে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। জনগুরুত্বপুর্ণ এই সড়কটির বেহালদশা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় লেখালেখির পরও কর্তৃপক্ষের উদাশীনতায় অবহেলিত রয়ে গেছে। বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে থাকা এই সড়কটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলেও দীর্ঘদিন যাবত সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় শতশত গর্তের। ইতোমধ্যে এই সড়কটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে চরম ভোগান্তির আর এক নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই সড়কটি দিয়ে শুধুু কেশবপুর উপজেলার মানুষ নয়, আমাদের পার্শবর্তী সাতক্ষীরা জেলার তালা-কলারোয়া ও মনিরামপুর উপজেলার অসংখ্য মানুষ চলাচল করে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়কটির বেহালদশা দেখার কেউ নেই। কেশবপুর থেকে ভালুকঘর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটারের মধ্যে এখন প্রায় সাড়ে ৫ কি. মি. সড়কই ভেঙেচুরে ছোট-ছোট নালায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় বাস ট্রাক আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তখন মানুষের আর ভোগান্তির শেষ থাকে না। এছাড়া প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় একাধিক দুর্ঘটনা। সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ী, ঝিকরা, চিংড়া, বিষ্ণুপুর, ফতেপুর, গোবিন্দপুর, মেহেরপুর, কাস্তা, বারুইহাটী, বুড়িহাটি, শ্রীরামপুর, সরাপপুর, বরণডালী, শাহপুর, মির্জানগর, হিজলতলা, পাত্রপাড়া, শিকারপুর, ভালুকঘর, চালিতাবাড়িয়া, শ্রীরামপুর, দত্তনগর, সরসকাটী, জাহানপুর, রঘুরামপুর, বাঁশবাড়ীয়া, গোপসেনা সহ পার্শবর্তী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার র্শাশা জয়নগর ধানদিয়া চকজয়নগর বাটরা সিংহলাল সেনেরগাতী গ্রামের লক্ষ লক্ষ মানুষের চলা-চল এই জরাজীর্ণ অবহেলিত সড়কটি দিয়ে। তাই প্রতিমন্ত্রীর কাছে এই অবহেলিত জনপদের লক্ষ-লক্ষ মানুষের একটাই প্রাণের দাবী, মানুষের পদভারে ছিন্ন-ভিন্ন সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আলী নুর জানান, কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কটি জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। একনেকে অনুমোদন হলেই আগামী অর্থবছরে কাজ শুরু হবে। সড়কটির বেশীর ভাগ সংস্কার হয়েছে। সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার বিহীন রয়েছে এর মধ্যে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সড়ক চওড়া করা হবে। বর্তমানে এটি ১২ ফুট রয়েছে। এটাকে ১৮ ফুট চওড়া করাসহ দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।