আশাশুনির বাইনতলার জনৈক সালাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নাশকতা ও জামাতের বৈঠক করার অভিযোগ


প্রকাশিত : ডিসেম্বর ৮, ২০১৭ ||

 

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির বাইনতলা গ্রামের জনৈক সালাম মোল্যা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নাশকতা ও জামাতের বৈঠক করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় আবু হাসান গংরা। আশাশুনি প্রেসক্লাব বরাবর আবু হাসান সহ আরও ৪ জনের নাম স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের উৎখাত করা জন্য আ’লীগ নেতা শফিকুল গাইনের বাড়ীর পূর্ব পাশে, মইনুর গাইনের বাড়ীর উত্তর পাশে এবং ইয়াছিন গাইনের বাড়ীর পশ্চিম পাশে একটি টিনের ঘর তৈরী করে সেখানে প্রতি সপ্তাহে বিকালে বৈঠক করে। অভিযোগে আরও বলেছেন, সালাম মোল্যা নাশকতা মামলার আসামী এবং স্ত্রী বড়দল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি। অভিযোগকারীরা নাশকতা নিমূল ও এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রচার করার আহবান জানান। এ ব্যাপারে আমাদের এ প্রতিবেদক সরজমিনে গেলে, অর্ধশতাধিক বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ হাজির হয়ে অভিযোগের কাহিনী শুনে হতবাক হয়ে পড়েন। মূল অভিযোগকারী ওই গ্রামের মৃত বাবর আলী মোল্যার পুত্র নূর ইসলাম মোল্যা বলেন, এ অভিযোগ সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। আমার স্বাক্ষরও নেই, তা ছাড়া সালাম বা তার স্ত্রী সম্পর্কে এমন তথ্য আমাদের জানার বাইরে। জনৈক আবু হাসানের সাথে কাপসন্ডা কামালের নিকট থেকে সালাম মোল্যা মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ ঋন নিয়ে তা না দেয়া কেন্দ্রিক অথনৈতিক নেলদেন নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দের জেরে বেনামী অহেতুক মিথ্যা অভিযোগ করেছে মাত্র। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিযোগ মিথ্যা প্রমান করতে আমাকে যে জায়গায় গেলে হয় প্রয়োজনে আমি যাব। মূলত সালাস মোল্যা গত ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যার পক্ষে কঠিন ভাবে কাজ করায় এবং বর্তমানে চেয়ারম্যানের সাথে সাথে থাকায় ইষ¦ান্বিত হয়ে আবু হাসান এ কাজ করেছে বলে আমার ধারনা। অভিযোগের স্বাক্ষী খলিল সানা ও হাফিজুল বলেন, আমি এ সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা। অভিযোগ প্রত্রের স্বাক্ষর আমার না, তা ছাড়া স্বাক্ষরের পাশে যে মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে তার সাথে ব্যবহৃত নম্বরে মিল নেই। অভিযোগে উল্লেখিত ঘরের পার্শ্ববর্তী আ’লীগ নেতা সফিকুল ইসলাম, আবুল গফ্ফার মোল্যা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সচিন্দ্র নাথ মন্ডল অর্ধশতাধিক নারী পুরুষের সামনে বলেন, এ ঘরে প্রত্যাহ ঘরের মালিকের অছিয়ত অনুযায়ী স্থানীয় মসজিদের ঈমাম ও ঈমামের অনুপস্থিতিতে ২/৩ জন মহিলা পর্যায়ক্রমে বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষা দেন মাত্র। তা ছাড়া অভিযোগ একবোরেই মিথ্যা, উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এহেন কোন কার্যকলাপ আমাদের পরিলখিত হয়নি। তা ছাড়া অভিযোগকারী আবু হাসান সরকারি খাস সম্পত্তি বিক্রি ও বন্ধক রাখতে রাখতে বেশামাল হয়ে মাছ না পেয়ে এমনিভাবে ছিপে কামড়াতে শুরু করেছে। এব্যাপারে উপস্থিত বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ সকলে মিথ্যা অভিযোগকারীদের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার দাবী জানান।