বড়দলে সংখ্যালঘুদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা


প্রকাশিত : জানুয়ারি ১২, ২০১৮ ||

 

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বড়দল মৌজার নদীর চরভরাটি ১নং খাস খতিয়ানের ১৪৬৫ দাগের জেএল নং ১০০ এর অধিনে মোট ৩১ একর জমির ভিতরে ৫০ শতক জমি ৬১ জন মালিক। বর্তমানে একসনা ইজারা নিয়ে ভোগদখল করছে। এমতাবস্থায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আফসার সানার পুত্র জামাল সানা, মৃত রাজ্জাক গাজীর পুত্র জালাল গাজী, মৃত ভক্ত সানার পুত্র আশরাফ সানা ও মোশারফ সানা, আ. রউফ সরদারের পুত্র আছাদুল সরদার, রাজ্জাক বিশ্বাসের পুত্র ভুট্টো বিশ্বাস, নুরভক্ত মালীর পুত্র মনির মালী, রহিম সানার পুত্র লিয়াকত সানা, খোদাবক্স সরদারের পুত্র বাদশা সরদার, সামছের মোড়লের পুত্র রবিউল মোড়ল, রাজ্জাক গাজীর পুত্র কামাল গাজী ও বাদশা গাজী দীর্ঘদিন যাবৎ জোরপূর্বক দখলের পায়তারা চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লাঠি সোটা, দা, কুড়াল ইট পাটকেল নিয়ে ঘের দখল ও বাসা নির্মাণের চেষ্টা করলে ইজারাকৃত জমির মালিকরা বাধা দিলে তাদেরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এতে করে জয়দেব মন্ডলের স্ত্রী সবিতা মন্ডল (৩৪) ও নীবপদ রায়ের স্ত্রী মিনতী রায় (৩৯) গুরুতর আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৭ সালের মাঝামাঝি আন্তজেলা সীমানা নির্ধারণের জন্য এক জরিপ চালানো হয়। এতে আশাশুনি ও পাইকগাছা সহকারী ভূমি কমিশনারদ্বয়ের উপস্থিতিতে উক্ত সার্ভে কার্যক্রম শেষে সীমানা পিলার স্থাপন করা হয় এবং উক্ত নদের চরভরাটী জমি বড়দলের অনুকূলে বলে প্রতিয়মান হয়। এ বিষয়ে বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রণজীত কুমার মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন খাস খতিয়ানের ১৪৬৫ দাগের ৩১ একর জমি পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দাবি করলেও বিগত সার্ভে কার্যক্রমে প্রতিয়মান হয় যে, বড়দল ইউনিয়নের জমি। সে হিসেবে আমি বড়দলের ৬১ জনের নিকট ইজারা প্রদান করেছি, এটি নিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই। এমতবস্থায় উপরুক্ত ভূমিদষ্যুদের হাত থেকে রক্ষাপেতে বড়দলের সংখ্যালঘু পরিবাররা সঙশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।