শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগ!


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮ ||

এসএম শহীদুল ইসলাম: প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকা সত্বেও শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কাশিমাড়ী পল্ল¬ীর ঘোলা ত্রিমোহনা সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদী থেকে দিদারছে অবৈধভাবে এই বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোলা গ্রামের মৃত কানাই গাজীর ছেলে ইউনুস আলী দীর্ঘদিন যাবত ঘোলা ত্রিমোহনা সংলগ্ন খেয়াঘাটের পাশ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে ব্যবসা করছে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ১০ নভেম্বর শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান অভিযান পরিচালনা করে উত্তোলনকৃত বালি জব্দ করেন। এর কিছুদিন পর স্থানীয়দেরকে ম্যানেজ করে দিব্যি পূনরায় বালি উত্তোলন করছেন ইউনুস আলী। তবে এবার একটু কৌশল খাটিয়ে পূর্বের জায়গা থেকে একটু পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে মাছের ঘেরের মধ্যদিয়ে পাইপ বসিয়ে সুকৌশলে দিদারছে বালি উত্তোলন করছেন তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনুস ও তার ছেলে হাবিবুর রহমান হবি বিভিন্ন উপায়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদেরকে ম্যানেজ করে বাণিজ্যিকভাবে বালি উত্তোলন করছেন।
অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালি উত্তোলনের ফলে খোলপেটুয়া নদীর ঘোলা ওয়াপদা বেড়িবাঁধে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ভাঙন দেখা দিচ্ছে। যার ফলে যেকোন মুহূর্তে বিলীন হতে পারে বিস্তৃত এলাকা। প্রশাসনের কাছে এই বালি উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
অবৈধভাবে বালি উত্তোলনকারী ইউনুস আলী জানান, আমি বালু উত্তোলন করছি না। বালু করছেন চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ ও মেম্বর রাজগুল। আমি মেমিন ভাড়া দেই। প্রতিদিন একহাজার টাকা করে দেয়। চার-পাঁচ দিন কাজ হয়েছে এখনো মাসখানিক ধরে বালু তুলবে বলে চেয়ারম্যান-মেম্বর বলেছে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে রোববার রাত ৯টা ১৯মিনিটের সময় একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।