সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আলোচনা সভার বক্তারা: একুশের পথ ধরেই মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৮ ||

মহান একুশে আমাদের প্রেরণা। একুশে আমাদের চেতনা। একুশ আমাদের পথ দেখিয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার। ৫২ এর সেই একুশে ফেব্রুয়ারি এখন বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বে আমাদের জন্য নিয়ে এসেছে মর্যাদা। এখন শুধুমাত্র বাংলাদেশের মানুষ নন একুশে পালন করছে বিশ্বের ১৮৯ টি দেশ। এটাই আমাদের গর্ব, এটাই আমাদের অহংকার।
একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন ভাষার জন্য আত্মবলিদানের সাহস ও শক্তি কেবলমাত্র বাঙ্গালির। বাংলার সুর্য সন্তানরা সেদিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে প্রমান করেছিলেন তারা মাতৃভাষাকে ভালবাসেন। পাকিস্তানিদের চাপিয়ে দেওয়া ভাষাকে প্রত্যাখ্যান করে এদেশের ছাত্র জনতা বাংলাকে মাতৃভাষা হিসেবে সম্মান দেখিয়েছে, যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়া সেইসব শহিদ সন্তানদের পথ অনুসরণ করে ১৯৬১, ১৯৭২ এবং ১৯৮৬ তে ভারতের অসম রাজ্যের শিলচর ও করিমগঞ্জে অসমীয়রা তাদের মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। বাংলা ভাষা এখন এতোটাই মর্যাদাপূর্ণ যে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বের দেশে দেশে পালিত হয়ে আসছে। আফ্রিকার দেশ সিওর লিয়ন বাংলা ভাষাকে সে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা দিয়েছে। মাতৃভাষা যাতে আরও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে সেজন্য সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আনিসুর রহিম, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলাম, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আবদুল ওয়াজেদ কচি, সাবেক সাধারন সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, ভোরের কাগজের দিলীপ কুমার দেব, ইন্ডিপেডেন্ট টিভির আবুল কাসেম, দৈনিক পত্রদূতের এসএম শহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য আমিনুর রশীদ, নির্বাহী সদস্য অসীম বরন চক্রবর্তী, মোহনা টিভির আবদুল জলিল প্রমুখ সাংবাদিক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি