প্রতাপনগর এবিএস সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৮ ||

পত্রদূত ডেস্ক: প্রতাপনগর এ.বি.এস সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার কমিটি ও অধ্যক্ষকে নিয়ে চক্রান্ত করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কলেজের শিক্ষক ও গভর্নিং বর্ডি সদস্যবৃন্দ। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চক্রান্তকারিদের প্রতিহত করার ঘোষনা দেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও গভর্নিং বর্ডি সদস্যবৃন্দ।
লিখিত বক্তব্যে কৃষি শিক্ষক মাকসুদুল আলম বলেন, জেলার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগররে এ.বি.এস সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও কমিটি নিয়ে এলাকার জামায়াত শিবির ও নাশকতা মামলার আসামিরা দীর্ঘদিন চক্রান্ত করে আসছে। তারা একের পর এক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে মাদ্রাসাটির পরিবেশ নষ্ট করে চলছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি উক্ত মাদ্রাসার ৬১তম মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কুড়িকাউনিয়া এলাকার একাধিক নাশকতা মামলার আসামী মৃত. নুর আলী মোড়লের ছেলে মোস্তফা আবু ইয়াহিয়া, প্রতাপনগর এলাকার মৃত হানিফ গাজীর ছেলে কারিমুল্লাহ, মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন ও মুয়াজ্জাজ হাসান, খলিলুর রহমানের ছেলে হেলালুর রহমান সহ কয়েকজন ব্যক্তি গোপনে জামায়াত সমর্থিত বক্তা নিয়ে আসেন।
মাহফিল শুরু হলে হাফেজরা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান কর্মকান্ডের বিপরীতে সরকার বিরোধী বিভিন্ন বক্তব্য দিতে থাকে। এসময় গভর্নিং বডির সদস্য ও শিক্ষকবৃন্দ ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে একাধিক নাশকতা মামলার আসামীদের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। এঘটনায় তারা মাদ্রাসার বর্তমান গভর্নিং বডি ও শিক্ষকবৃন্দের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন ২২ফেব্রুয়ারি তারা কয়েকজন জামায়াত-বিএনপির সমর্থিত ব্যক্তিদের নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন অভিযোগে তালতলা বাজারে মানববন্ধন করে। মাদ্রাসার বতর্মান কমিটি কে তারা অবৈধ বলে উল্লেখ করেছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। গত ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখে এবং ১৪/০২/২০১৮ ইং তারিখে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বিধিমোতাবেক বর্তমান গভর্নিং বডির কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন সে কারনে গভর্নিং বডি সম্পূর্ণ বৈধ। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, নিয়োগ সহ একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করেন মানববন্ধনে তারা।
তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসার সভাপতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ায় বর্তমানে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি জামায়াত শিবির কার্যক্রম মুক্ত রাখার চেষ্টা করছে। যে কারণে প্রতিষ্ঠান কিছু শিক্ষক ও স্থানীয় জামায়াত-শিবির, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের সরকার বিরোধী কার্যক্রম সেখানে সংঘটিত করতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে এধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এব্যাপারে নাশকতা মামলার আসামী কর্তৃক মিথ্যা অপপ্রচার ও দোষীব্যক্তিদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।