আদিগন্ত আধাপাকা গমের ক্ষেত দেখে মনে হয় চির সবুজের বুকে সোনালী রঙের আল্পনা


প্রকাশিত : মার্চ ১১, ২০১৮ ||

ছবির ক‌্যাপশন: গমের ছড়া লিখতে গিয়ে কবি লিখেছেন, ‘খোকা গেছে মোষ চরাতে, খেতে গেছে ভুলে/কোথায় গেলো গমের রুটি শিকের পরে তুলে…।’ আবার গ্রামের প্রবাদে আছে, অসুস্থ অশীতিপর বৃদ্ধ তার গিন্নিকে জিজ্ঞাসা করছে কী রান্না করেছো? গিন্নি উত্তর দিলেন, ‘গোস্ত আর রুটি। বৃদ্ধ বললেন, ‘লাঠি খান দাও তো উঠি।’ রুটি আর গোস্তের কথা শুনলে কার না রসনায় জল আসে ? ‘সওয়া সের গম’ গল্পে গমের আটা ধার করার বিষয়টি হয়তো জানেন অনেকে। সে যাই হোক, গমের আটার রুটির পুষ্টিগুণ অপরিসীম। গমের ভূষি গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গমের গাছ ঘরের ছাউনি ও জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়া গমের গাছ থেকে বাহারী গৃহ সরঞ্জামও তৈরি হয়। সেই গমের আবাদ এখন আর খুব বেশি চোখে পড়ে না। গ্রাম গ্রামান্তরে মাঝে মাঝে দু একটি ক্ষেত চোখে পড়ে। তখনই মনে পড়ে গম ভাজার কথা। তখনই মনে পড়ে গমের আটার রুটির কথা। সাতক্ষীরা জেলায় এবার গমের আবাদ হয়েছে। মাঠ ভরেছে গম চাষে। আদিগন্ত আধাপাকা গমের ক্ষেত দেখে মনে হয় চির সবুজের বুকে সোনালী রঙের আল্পনা।-ছবিটি সদর উপজেলার সোলাকুড়া মাঠ থেকে তুলেছেন দৈনিক পত্রদূত’র সহ: সম্পাদক সাখাওয়াত উল্যাহ।