তালা-কলারোয়া আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কৃষকলীগ নেতা বিশ্বজিৎ সাধু তৃণমূলে গণসংযোগ


প্রকাশিত : মার্চ ১৩, ২০১৮ ||

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশ্বজিৎ সাধু তৃণমূলে গণসংযোগ করছেন। আ’লীগের ২০তম সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৃণমূলের গণসংযোগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সম্মেলন থেকে ফিরে তিনি মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘ ৪০ বছর আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তৃণমূল কর্মীদের সমস্যা সমাধানসহ কর্মীদের নিয়মিত সেবা করে চলেছেন। ফলপ্রসু তৃণমূলে তার বর্তমানে শক্ত অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন যথা: খেশরা, জালালপুর, মাগুরা, খলিলনগর, তালা, ইসলামকাটি, তেতুলিয়া, কুমিরা, খলিষখালী, সরুলিয়া, নগরঘাটা ও ধানদিয়া ছাড়াও কলারোয়া উপজেলার জয়নগর, জালালাবাদ, দিয়াড়া, হেলাতলা, কুশুডাঙ্গা, বোয়ালিয়া, কেরালকাতা, চন্দনপুর, লাঙ্গলঝাড়া, শোনাবাড়ি ও যুগিখালী ইউনিয়নের সকল ইউনিটের তৃণমূল নেতাদের সাথে দলীয় অনুষ্ঠান পালনসহ গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি দু’টি উপজেলা ও একটি পৌরসভাসহ ২৪টি ইউনিয়নের ২২৫টি ওয়ার্ডের সকল ইউনিটে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ৪০ বছরের অভিজ্ঞ এই আওয়ামী লীগ নেতা তালা উপজেলার ৩নং সরুলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের তৈলকুপী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী সাধুখাঁ পরিবারে ১৩এপ্রিল ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। কিশোর বয়সে তিনি ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি বি. কম পাশ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সরুলিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২৫ বছর যাবৎ কুমিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কুমিরা হাইস্কুলের অভিভাবক সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তৈলকুপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে আছেন। তিনি কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজের দাতা সদস্য এবং প্রথম ভবন নিজ পিতা মাতার নামে দান করেন। ১৯৯৭ সাল থেকে সাতক্ষীরা রোটারি ক্লাবের সদস্য ও পরবর্তীতে সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সাল থেকে সাতক্ষীরা জেলার কৃষকলীগের সিনিয়ন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে চলমান প্রক্রিয়ায় গঠণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে ২০০৪ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি একজন ব্যবসায়ীও। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজেশনের ১৯৯১ সাল থেকে জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ বছর দায়িত্বে থেকে পরবর্তীতে সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ফার্টিলাইজেশন কেন্দ্রীয় কমিটির বোর্ড অফ ডিরেক্টর পদে ছিলেন। ১৯৯৮ সালে সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন আন্দোলনে সহায়ক ভূমিকা রাখার কারণে তাকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত করেন। ভোমরা স্থল বন্দরের সূচনা লগ্নে তিনি বন্দোর ব্যবহারকারী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সাতক্ষীরা ১ আসনকে মাদক মুক্তকরে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা বিনির্মানে একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিকের মতো কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আ’লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। একনজরে তিনি সাতক্ষীরা-১ তথা সংসদীয় ১০৫নং আসনের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একজন সৎ মানুষ হিসেবে সকলের কাছে সুপরিচিত। তিনি আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলে নিরঙ্কুশভাবে জয় লাভ করবে বলে এই প্রতিনিধিকে জানান।