নেপালে বিমান দূর্ঘটনায় নিহত সহকারি পাইলট পৃথুলা রশিদের গ্রামের বাড়ি ইলিশপুরে শোকের মাতম


প্রকাশিত : মার্চ ১৪, ২০১৮ ||

 

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): বাবা-কাজল হোসেন ও মা রাফেজা বেগমের একমাত্র সন্তান পৃথুলা রশিদ। গ্রামের বাড়িতে যেয়ে আম খাওয়া হলোনা তার। ফুটফুটে হাস্যোজ্বল মেধাবী তরুণী নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ইউএস বাংলা ইয়ারলাইন্সের সহকারি পাইলট যশোরের শার্শা ইলিশপুর গ্রামের কাজল হোসেনের মেয়ে পৃথুলা রশিদ (২৪) এর। সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্বজনেরা। এলাকায় চলছে শোকের মাতম। মার্চে ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে আসার কথা ছিল তার। আর আসা হলো না। খবর আসে লাশের। তার স্মৃতি আবেগ তারিত করছে পরিবারের সদস্যদের। জাতীয় সম্মদ হারালো তারা। এ ক্ষতি পূরণ হবার নয়। বলে শেষ হবে হবে না কথা বার বার মূছা যাচ্ছিন অনেকে। বাকরুদ্ধ তারা।

নিহতের চাচা-কামাল হোসেন ও সহিদুল আলাল বলেন, কোটি টাকা খরচ করে গড়ে তোলা জাতীয় সম্পদে রুপ নিয়েও শেষ রক্ষা হলোনা। চলে গেল পরপারে। সবার কাছে দোয়া চান তারা। নিহতের চাচী বলেন, এমাসের গ্রামের বাড়িতে আম খেতে আসা কথার ছিল তার আর আসা হলো না। ছুটিতে এসে ঘুরে ফিরে বেড়াবে স্বজনদের বাড়িতে অপেক্ষায় ছিল এক সময়ের খেলার সাথি চাচাতো বোনেরা ছিল অপেক্ষায় আর ফিরে আসেনি আসবে না কোন দিন চলে গেছে পরপারে। এসএসছি পরীক্ষা দিয়ে বোনের জন্যে অপেক্ষায় ছিল তারা বলেন, বোন উ¤েম ইলমা ও উম্মে জান্নাতি। উল্লেখ্য, লন্ডন গ্রেজ এন্টার ন্যাশন্যাল থেকে ও এবং এ লেবেল অর্জনকারী ঢাকা নর্থ স্উাথ বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এমবি এবং আমিব্যাং এভিয়েশন থেকে উড্ডয়ন ড্রিগ্রি নিয়ে ২০১৬ সালের জুলাইয়ে অফিসার পদে সহকারি প্ইালট হিসাবে ইউএস বাংলা ইয়ারলাইন্সের যোগদান করেন। একমাত্র মেয়ে সন্তানেেক হারিয়ে নি:স্ব সর্বশান্ত তার পরিবার। পৃথুলা রশিদের মাতা রাফেজা বেগম আশা এনজিতে সহকারি পরিচালক হিসেবে চাকরিরত বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।