চুকনগরে কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে এলাকা লন্ড-ভন্ড


প্রকাশিত : মে ১৫, ২০১৮ ||

 

গাজী আব্দুল কুদ্দুস চুকনগর: হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে চুকনগর এলাকা লন্ড-ভন্ড হয়েছে। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ৩০ মিনিট স্থায়ী এই ঝড়ে এলাকার বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘরের টিন ও টালির চাল উড়ে গেছে। অসংখ্য গাছপালা ও ফসলের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপড়ে ও ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের পিলার। ছিড়ে গেছে বিদ্যুৎ লাইনের তার। আম, কাঁঠাল ও জামসহ মৌসুমী ফল ঝরে পড়েও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এলাকাবাসি। গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ২৫/৩০ মিনিট স্থায়ী এই ঝড়ে কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুকনগর মডেল মহিলা কলেজ, চাকুন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিনের চাল উড়ে গেছে।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্ষতি হবার ফলে বর্তমানে পড়াশোনর চরম সমস্যা হচ্ছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। বিদ্যুতের পিলার ভেঙে ও তার ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গতকাল এ  রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি। কবে নাগাদ চালু হবে তার নিশ্চয়তা নেই। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে উঠতি বোরো ধান, শাক-সবজি ক্ষেতসহ বিভিন্ন উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডব চিত্র। চুকনগর মহিলা মডেল কলেজটির সম্পূর্ণ টিনের চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে অফিস শ্রেণিকক্ষসহ সকল কক্ষের চাল উড়ে গেছে।’ কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স. ম আব্দুর রাজ্জাক ও কাঁঠালতলা মঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবুপদ বিশ্বাস জানান, তাদের বিদ্যালয়ের আধা-পাকা টিনশেড চালগুলো উড়ে মাঠের মধ্যে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং নতুন ভবন তৈরী করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম অচল হয়ে পড়তে পারে। এ প্রসঙ্গে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড. প্রতাপ কুমার রায় বলেন, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা করা হয়েছে। তালিকা তৈরি হলে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দেব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।