কপিলমুনি বাজারে সবজির চড়া মূল্যে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস


প্রকাশিত : মে ২৭, ২০১৮ ||

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ০

গ্রীষ্মকালীণ সবজিতে বাজার ঠাসা থাকলেও কপিলমুনি বাজারে সবজির চড়া দামে নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতা সাধারনের। কয়দিন আগেও অর্থাৎ রোজার ঠিক দুদিন আগ পর্যন্ত সবজির বাজার ছিল সহনীয় পর্যায়ে। প্রতিটি সবজির মূল্য ক্রেতাদের নাগালে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সবজির মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় চলতি রমজানে সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাকরোলের মূল্য ৬০ টাকা, কাচ কলা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, টমেটা ৬০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, বরবটি ৩৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, ঢেড়শ ৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ৩০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গোল আলু ২৩ থেকে ২৫ টাকা, সজনা ৮০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হু হু করে রশুন ও পিয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রোজার আগে রশুন প্রতি কেজি ৪০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমান মূল্য ৫০ টাকা। পিয়াজের দামও ৪০ টাকা থেকে এক লাফে ৫০ টাকা হয়েছে। খুচরা সবজি বিক্রেতা কানাইদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিদ্দিক শেখ জানান, রোজাকে সামনে রেখ পাইকারী সবজি ব্যবসায়ী বা কৃষকরা এই মূল্য বৃদ্ধি করেছে তাই আমাদেরও একটু বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আরেক খুচরা সবজি বিক্রেতা মনিরুল জানান, পাইকারী বিক্রেতারা রোজাকে সামনে রেখে সিন্ডিকেড করে মূল্য বৃদ্ধি করেছে।

বাজার করতে আসা কাজিমূছা গ্রামের বাসিন্দা এম আজিজুর রহমান বলেন, কপিলমুনির আশপাশের বাজার যেমন কাশিমনগর, খলিলনগর, মামুদকাটী, কাজিমূছা, হাবিবনগর, রথখোলাসহ ছোটবাজারগুলোতে সবজির মূল্য এখানকার তুলনায় বেশ কম। তবে সূধীজনরা জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে ইচ্ছমত সবজির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।