কেশবপুরে জমে উঠেছে কোরবানীর পশু হাট


প্রকাশিত : আগস্ট ১৮, ২০১৮ ||

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট, কোরবানীর পশু কেনা-কাটায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় চোখে পড়ার মত। কেশবপুর ও সরসকাটি পশুহাটসহ উপজেলার সাতবাড়িয়া, চিংড়া, বগা, ভান্ডারখোলা বাজারসহ মোট ৬টি পশুর হাট বসেছে। এসব হাট ঘুরে দেখা গেছে, যথেষ্ট পরিমানে দেশি গরু বাজারে রয়েছে। দু’একটি ভ্রাম্যম্যাণ পশু হাটে ভারতীয় গরু দেখা গেলেও উপজেলা সদরের হাটে ব্যাতীক্রম দৃশ্য চোখে পড়ে। এখানে শুধু দেশিয় খামারে পালিত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ায় পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতাদের জমজমাট বেচা-বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা সদরের পশুহাট মালিক তরিকুল ইসলাম বলেন অন্য বারের তুলনায় এবার প্রচুর পরিমানের দেশী গরু ছাগল ও মহিষ ভেড়া আমদানি হয়েছে। বেচা বিক্রিও অনেক বেশী। কেশবপুরের পশুহাটি অনেক পুরাতন একটি হাট। এটি যশোর সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পশুহাট হিসাবে পরিচিত। তাছাড়া জাল টাকা সনাক্ত করণ মেশিন থাকাসহ বাজারের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ভালো থাকায় দুর-দুরান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারগণ আসছে এবং নির্ভয়ে বেচা-কেনা করছে। প্রতিদিন দেড় হাজার থেকে ২ হাজার গরু বিক্রি হচ্ছে। ৩০ হাজার টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকা দামের গরু বাজারে এসছে। গ্রামগঞ্জের মানুষ শেষ মুহূর্তে কেনা-কাটা করে থাকে। তাই শেষ মুহূর্তে আরো বেশি পশু বিক্রি হওয়া এবং বাজার আরো জমজমাট হওয়ার আশা করছেন তিনি। উপজেলার বারুইহাটী থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান বলেন, বাজারে ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরু বিক্রি বেড়েছে। বেশি বেশি গরু বিক্রি হওয়ায় আমরা খুশি। কোরবানীর পশু কিনতে আসা অনেকেরই অভিযোগ অন্য বছরের তুলনায় এবছর পশুর দাম অনেক বেশী। ভারতীয় গরু না আসার অজুহাতে দেশি গরুর আকাশ ছোঁয়া দাম হাকাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। গরুর দাম বেশি থাকার কারণে অনেকে ছাগল কোরবানী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মনিরামপুর থেকে আসা ক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন আমাদের এলাকায় পশুর দাম বেশি হওয়ায় এখানে এসেছি কিন্তু এখানেও অনেক দাম হাকাচ্ছেন বিক্রেতারা। দাম বেশি হলেও অসংখ্য পশুর মধ্য থেকে তাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দসই পশুটি কিনতে পেরে মহা খুশি তারা।