আশাশুনিতে পল্লীতে মটরসাইকেল চালককে শ^াস রোধে হত্যা মটরসাইকেল ও লাশ উদ্ধার, আটক-৪


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ ||

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির পল্লীতে ভাড়ায় চালিত এক মটরসাইকেল চালকের শ^াস রোধে হত্যা করে মটর ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৪জন আটক। আটককৃতদের স্বীকারোক্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে হত্যার শিকার মটরসাইকেল চালককে এক মাদ্রাসার সেফটি ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের খোকন গাজীর পুত্র ভাড়ায় মটর সাইকেল চালক জাহাঙ্গীর আলম (২৪)কে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিকে পাশর্^বর্তী একসরা গ্রামের আব্দুল্লাহ কারিগরের পুত্র রবিউল ইসলাম (৩০), বশির সানার পুত্র আব্দুল আজিজ সানা (৫০), সালাউদ্দিন(খোকন) কারিগরের পুত্র আল আমিন কারিগর (৩০) তার মটর সাইকেল ভাড়া করে। রাজাপুর থেকে রওনা হয়ে মধ্যম একসরা দাখিল মাদ্রাসার নিকটে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে চালক জাহাঙ্গীরের গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যার পর লাশ ওই মাদ্রাসার সেফটিক ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রেখে ঘাতকরা মটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। বাড়ির লোকজন তার কোন খোঁজ না পেয়ে আশাশুনি থানায় ২৩১ নং একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এ সূত্র ধরে এবং নিহতের স্ত্রী সাথীসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট জেনেশুনে পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটনের মাধ্যমে মটরসাইকেল ভাড়া নেয়া রবিউল ইসলামকে আটক করে। চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় জাহাঙ্গীরকে হত্যা করে মটরসাইকেল ছিনতাইসহ ঘটনার সাথে জড়িততের কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক আজিজ সানা, আল আমিন কারিগর ও দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের বাদল গাজীর পুত্র শফিকুল ইসলাম (৪০)কে পুলিশ একে একে আটক, সেফটি ট্যাংকি থেকে লাশ ও ছিনতাইকৃত মটর সাইকেল দেবহাটা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে আটককৃত ৪ জনকে আসামী করে আশাশুনি থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে লাশ ময়না তদন্তে সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করেছেন বলে জানান।