সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২১ মার্চ সভাপতি পদে শাহ আলম-আ. সাত্তার সম্পাদক পদে সবুজ-তোজাম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন


প্রকাশিত : মার্চ ৯, ২০১৯ ||

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২১ মার্চ। এ উপলক্ষে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে ৪৮৯ জন ভোটার আইনজীবীর তালিকাও চূড়ান্ত করেছে কমিশন। প্রথমদিকে ভোট নিয়ে আদালত পাড়ায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে তেমন কোন আগ্রহ দেখা না গেলেও শেষ পর্যন্ত সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে হেভিওয়েট সব প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার কারণে জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনি প্রচার প্রচারনা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সাবেক সভাপতি এম. শাহ আলম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাত্তার (১)। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তোজাম্মেল হোসেন তোজাম ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আ ক ম রেজওয়ান উল্লাহ সবুজ। সহ-সভাপতির ১টি পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন প্রার্থী, এরা হলেন-এ টি এম বাসারাতুল্লাহ আওরঙ্গী, মো. মহিতুল ইসলাম ও মো. রুহুল আমিন। যুগ্ম-সম্পাদকের ১টি পদেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন প্রার্থী। এরা হলেন- এ বি এম আনিসুজ্জামান (আনিস), মো. আশরাফুজ্জামান (বাবু) ও শেখ মুস্তাফিজুর রহমান (শাহনেওয়াজ)। কোষাধ্যক্ষ পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মো. মোস্তফা জামান ও মোঃ রফিকুল ইসলাম। সহ-সম্পাদক (লাইব্রেরী) পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মো. আব্দুল জলিল ও আ ক ম শামসুদ্দোহা খোকন। সহ-সম্পাদক (ক্রীড়া) পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মো. আকবর আলী ও মোঃ সালাউদ্দীন (২)। সহ-সম্পাদিকা (মহিলা) পদে অন্য কোন প্রর্থী মনোনয়নপত্র জমা না দেয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন লাকী ইয়াছমিন। এছাড়া সদস্যের ৩টি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন প্রার্থী, এরা হলেন-মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক), মো. শিহাব মাসউদ (সাচ্চু) ও মো. সাহেদুজ্জামান (সাহেদ)।
এবারের নির্বাচন কমিশনার হিসাবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁরা হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ আব্দুল জলিল (১) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন- আক্তারুজ্জামান, মো. আনিছুর কাদির ময়না, তারক কুমার মিত্র ও শাকিলা খানম।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ভোটার আইনজীবীরা জানান, মূলত: ২টি কারণে এবারের নির্বাচন তাঁদের কাছে শেষ মহুর্ত্যে হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর একটি হচ্ছে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে যাতায়াতের পথ নিয়ে দীর্ঘ এক বছর যাবৎ আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি এবং অপরটি পুরাতন বার নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার সমাধান না হওয়া। এসব বিষয় মাথায় রেখেই বারের ৪৮৯ জন ভোটার আইনজীবী আগামী নির্বাচনে তাঁদের যোগ্য নেতা নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন অনেকে।