৬ বছর পর বেনাপোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র তুহিনের লাশের উদ্ধারের চেষ্টা


প্রকাশিত : মার্চ ১৩, ২০১৯ ||

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: অবশেষে বেনাপোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তারিকুল আলম তুহিনের লাশের সন্ধানে দীর্ঘ ৬বছর পর মঙ্গলবার বিকালে একটি ভবনের নিচে মাটি খুড়ে লাশ উদ্ধারের চেষ্টার করেও হদিস পায়নি সিআইডি ঢাকার কর্মকর্তারাসহ জেলা নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট। দীর্ঘ ৫ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে রাতে লাশের সন্ধানে খনন কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। তুহিনের লাশ উদ্ধারের গুঞ্জনে ঘটনাস্থলে জড়ো হয় হাজার হাজার উৎসক জনতা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, ২০১৩ সালের ৭ মার্চ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হয় তরিকুল আলম তুহিন। অল্প বয়েসে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। তার নিখোঁজের খবরে বেনাপোলসহ শার্শা উপজেলায় আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠে। স্থানীয় একজন প্রতিনিধির দিকে তীর ছোড়েন অনেকে। দীর্ঘ ৬মাসেও তুহিনের খোজ পায়নি পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে মামলাটি সিআইডিতে যায়। স্থানীয় অনেক নেতাকে প্রশাসনের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করে বলেও সুত্রে জানায়।
ঢাকা সিআইডি এএসপি উত্তম কুমার ঘোষ ও যশোর জেলা নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট কওসার হাবিব জানান, কোর্টের নির্দেশে তুহিনের লাশের সন্ধানে বেনাপোল বাজারের পুকুরপাড় মসজিদের পাশে বাজার কমিটির অফিসে খনন করেন তারা। এখানে অনুসন্ধান চালিয়ে না পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে কোর্টের নির্দেশনা পেলে আবারও অনসন্ধান চলানো হবে বলে জানান তারা। তবে ইনভেস্টিগেশন চলমান থাকবে বলে জানান- নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট কওসার হাবিব।
সুত্রমতে জানায়, একটি চক্র এই খুনের সাথে জড়িত থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে তুহিন ও পলাশ হোসেন নামে দু’জনের লাশ থাকতে পারে বলে জানান সিইডি সূত্র। ৫ সদস্যের সিআইডি সদস্য ছাড়া পোর্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বাহিনীর গোয়েন্দা সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সৈয়েদ আলমঙ্গীর হোসেন জানান, পুলিশের ইন ভেস্টিগেশন চলছে। লাশের অনুসন্ধানে কাজ করছেন প্রশাসনের সদস্যরা। তবে বাজার কমিটির ঘরটি অনুসন্ধানের স্বার্থে আপাতত বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি। প্রকৃত ঘটঁনা উদঘাটিত হোক এমনটাই জানান স্থানীয়রা। নির্খোঁজ না হত্যা প্রকৃত ঘটনা বের করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নিহতের স্ত্রী সালমা আলম ও শার্শা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সোয়ারাব হোসেন।