কপিলমুনির নতুন মৎস্য আড়ৎ সৌন্দর্য্য ও শোভাবর্ধন করে সাফল্যের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে


প্রকাশিত : মার্চ ১৪, ২০১৯ ||

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনি, যা সারা দেশে সমাদৃত। আর এই বাণিজ্যিক উপহরেই নতুন আঙ্গীকে গড়ে উঠেছে নতুন মৎস্য আড়ৎ। বাজারের উত্তর প্রান্ত সিংহবাড়ির পার্শ্বে মনোরম লোকেশানে রুচি সম্মত আড়তের প্রত্যেকটি ঘর যেন সৌন্দর্যে পূর্ণতা লাভ করেছে। এটা মৎস্য ব্যবসায়ীদের সাফল্যের অগ্রযাত্রা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। আর এরই ধারাবাহিকতায় শোভাবর্ধনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে আড়ৎ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আড়ৎ চত্ত্বরে পাকা সুবিশাল জায়গায় অনায়াশে গাড়ী পার্কিং সুবিধা, সুশৃংখল ও পরিপাটি পরিবেশনে পরিচ্ছন্ন আড়ৎ বেশ চাকচিক্যপুর্ণ। একাধিক ল্যাট্রিনসহ বহিরাগত ব্যবসায়ীদের থাকার সুব্যবস্থা, আপ্যায়নে উদার মনোভব সহ রয়েছে সার্বিক সুযোগ সুবিধা। মোজাইক পাথরে সুবিন্যাস্থ্য করা হয়েছে আড়ৎ আঙ্গিনা।
সর্বমোট ২২ জন আড়ৎ ব্যবসায়ী একই সারিতে পৃথক পৃথক কক্ষে বসে রুচিশীল সুন্দর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কক্ষগুলির ভিতরে টাইলস্ ও সিলিংয়ে আবৃত করা হয়েছে। হাতের নাগালেই রয়েছে বরফ সরবরাহের সু-ব্যবস্থা।
এ ব্যাপারে মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন বলেন, ‘বাজারের পুরাতন মৎস্য আড়তের জায়গা সংকুলন এবং অব্যবস্থাপনার কারণে আমরা প্রথমে কাশিমনগর অস্থায়ী জায়গায় কার্যক্রম শুরু করি। এরপর আমরা সকলে মিলে সিংহবাড়ীর পার্শ্বের এই খোলামেলা বিশাল জায়গাটি ভাড়া নিয়ে সম্পূর্ণ নিজেদের খরচে সবাই মিলে মিশে ব্যবসা পরিচালনা করছি। বহিরাগত অনেক মানুষ আমাদের এ পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট হন, এবং সাধুবাদ জানান, আমরাও খুশি হই।’
আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির কার্যকরী সদস্য ও মেসার্স বেঙ্গল ফিস এর সত্ত্বাধিকারী এইচএম জিয়াউর রহমান জানান, ‘প্রশস্ত জায়গার কারণে চলাফেরা ও গাড়ী পার্কিংএ এখানে কোন সমস্যা নেই। এলাকার ঘের মালিকরা নিয়মিত তাদের মাছ আড়তে নিয়ে আসেন ও সুলভ মূল্যে বিক্রি করে নগদ টাকা নিয়ে চলে যান। মূল্য ভালো পাওয়ার কারণে দূরের অনেকে তাদের মাছ এখানে নিয়ে আসেন এবং বিক্রি করে চলে যান। এখানে আসা-যাওয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থাও সুন্দর ও সহজ।’