মামার অভিযোগ, মারির কারনে ভাগনের মৃত্যু আলীপুরে এক কিশোরের করুণ মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া


প্রকাশিত : মার্চ ১৫, ২০১৯ ||

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সদর উপজেলার আলীপুরে মামার অভিযোগ, মারির কারনে ভাগনের মৃত্যু। আলিপুরে এক কিশোরের করুণ মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া। মৃতের কিশোরের নাম ফিরোজ হোসেন (১৫)। সে সদরের আলীপুর পূর্বপাড়া কেফা মোল্লার মেয়ে মাসুদার পুত্র। গতকাল বৃহস্থতিবার সকাল ৫.২০ মি. খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, একই এলাকার আনিছুর মোড়ল এর কন্যা আফছানা মিমি(১৪) এর সাথে মৃত ফিরোজের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।উভয়ের বাড়ি কাছাকাছি হওয়ার সুবাদে গত বছর ১৪ই জুলাই গভীর রাতে ফিরোজ আফসানার সাথে দেখা করতে যায়। এসময় আফসানার পিতা মাতা ফিরোজ কে ধরে ফেলে এবং তার পিতা আনিছুর, মাতা কমলা বেগম ও ভাই আতাউর ফিরোজকে ব্যাপক মারধোর সহ তল পেটে ও পুরুষাঙ্গে ব্যাপক ফোলা জখম করে।এসময় পাশের বাড়ির লিয়াকতের ছেলে মনিও তাকে মারধোর করে।ফিরোজের বাবা না থাকায় এবং মায়ের সামান্য মস্তিষ্ক বিকৃতি থাকায় আফছানার পরিবার তার মামাদের খবর দেয়।পরে ফিরোজের মামারা ফিরোজকে বাড়িতে নিয়ে আসে।তবে ফিরোজ তাকে মারের কথা তার মামাদের না বলে গোপন রাখে কারণ এতে করে দুই পরিবারের মধ্যে অনিষ্ট বাধতে পারে।মার জখমের ব্যাথার জন্য ফিরোজ নিজে নিজে ঔষধ কিনে খেত।এরই মধ্যে হঠাৎ গত বুধবার ফিরোজ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্থতিবার ফিরোজ মারা যায়।লাশ বাড়িতে আনার পরে সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশ এস আই প্রবীর এসে লাশ থানায় নিয়ে যায় এবং কয়েক ঘন্টা পরে ময়না তদন্ত ছাড়াই বাড়ি নিয়ে লাশ দাফন করার অনুমতি দেয়।এব্যাপারে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি হয়েছে।মৃত্যু ফিরোজের সাথে হাসপাতালে থাকা তার খালাত ভাই আনোয়ার জানান, মৃত্যুর পূর্বে ফিরোজ আমাকে বলেছে প্রেমিকা আফসানার পিতা, মা ও ভাই তল পেট ও পুরুষঙ্গে ব্যাপক আঘাত করে, যা আমি আমার মামাদের বলিনি।এ ব্যাপারে মেয়ের অভিভাবকের বক্তব্য নিতে গেলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি।