তালায় মৃত্যুর ৫দিন পর মরদেহ দাহ: তদন্ত সিআইডির উপর


প্রকাশিত : মে ১৪, ২০১৯ ||

তালা প্রতিনিধি: মৃত্যুর ৫দিন পর ময়না তদন্ত শেষে নমিতা ব্যানার্জীর লাশ দাহ করা হয়েছে। এর আগে তার মরদেহ ৫দিন ধরে বাড়ির আঙিনায় পড়েছিল। পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত নমিতা ব্যানার্জীর লাশ ময়না তদন্তপূর্বক দাহ এবং তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সিআইডির উপর দায়িত্ব দেয় বলে জানান নমিতা ব্যানার্জীর স্বজনরা। ১০ মে নমিতা ব্যানার্জীর মৃত্যু হয়। ১৪ মে রাতে তার মরদেহ দাহ করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের মেশারডাংগা গ্রামের কার্তিক ব্যানার্জীর স্ত্রী নমীতা ব্যানাজীর মৃত্যুর ৫দিন পর মরদেহ দাহ না করে বাড়ির আঙিনায় রেখে দেন স্বজনরা। স্বজনদের দাবি নমিতা ব্যানার্জীকে হত্যা করা হয়েছে। বিগত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় প্রতিপক্ষরা মেশারডাংগা গ্রামের কার্তিক ব্যানার্জীর স্ত্রী নমিতা ব্যানার্জীকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এরপর থেকে অসুস্থ ছিলেন নমিতা। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য নিমাইসানাসহ ২০ জনের নামে তালা থানায় একটি মামলা হয়। মামলা নং ১২/১৬। মামলাটি বর্তমানে সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল কোর্টে বিচারাধীন আছে। ইতোমধ্যে গত শুক্রবার (১০ মে ২০১৯) সন্ধ্যায় কার্তিক ব্যানার্জীর নমীতা ব্যানার্জীর মৃত্যু হয়। এরআগে তাকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আইনী জটিলতার কারণে তার লাশ দাহ করতে ৫দিন সময় লাগে বলে জানান নমিতার স্বজনরা।
অপর একটি সূত্রের দাবি গত ৩ মে নমিতার স্বামী কার্তিক ব্যানার্জী নাকি তাকে মারধর করেছিলেন। তাতেই নাকি নমিতার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি হওয়ায় নমিতার দাহ নিয়ে বিলম্ব হয়।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল বলেন, ২০১৬ সালের ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ তদন্ত শেষে ২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয়। এরপর নমিতা ব্যানার্জীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে আইনী জটিলতার সৃষ্টি হলে আদালতের দ্বারস্থ হন নমিতার পরিবার। আদালত নমিতার মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে দাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে নমিতা ব্যানার্জীর মৃত্যুর সঠিক রহস্য উদঘাটনে সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন।