এড. আব্দুর রহমান কলেজে নিয়মবহির্ভূতভাবে কমিটিতে ২জনকে অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ


প্রকাশিত : মে ১৯, ২০১৯ ||

পত্রদূত ডেস্ক: শহরতলীর এডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজে নিয়মবহির্ভূতভাবে এডহক কমিটিতে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ উঠেছে কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন মোঃ মকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজ শিক্ষক, ছাত্র, ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, এডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজ এডহক কমিটির সভাপতির নিজ ভাই বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের পরাজিত প্রার্থী মাহাফিজুর রহমানকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নীতিমালা উপেক্ষা কর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ঘোষণা দেন। অথচ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো প্রতিষ্ঠাকালীন সময় কলেজে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ প্রদান করতে হবে। কিন্তু মাহফিজুর রহমান নগদ অর্থ প্রদানের কোন তথ্য দেখাতে পারেননি। তাছাড়া কলেজ অধ্যক্ষ কর্তৃক ৫/০৭/২০১৮ তারিখে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সম্পর্কিত তথ্যের জন্য স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। মাহফিজুর রহমান সে সময়ও কোন তথ্য হাজির করেননি। প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষকদের মধ্য হতে অধ্যক্ষ কর্তৃক তফসিলের মাধ্যমে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। সভাপতি গায়ের জোরে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে অধ্যক্ষের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বেই ৩১ জন এমপিওভূক্ত শিক্ষকের অধিকার খর্ব করে ননএমপিও শিক্ষক সুশান্ত কুমার মন্ডলকে শিক্ষক প্রতিনিধি ঘোষণা দেন। যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গভর্নিং বডি সংবিধি অনুযায়ী অবৈধ। এ ঘটনায় কলেজের ৩১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যে কারনে কলেজে শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি মনোনীত এডহক কমিটির ২জন সদস্য সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্য। কিন্তু বিদ্যোৎসাহী সদস্য শিক্ষক প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অন্তর্ভূক্ত করার বিষয় কোন কিছুই জানেন না। সভাপতি নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য মাহাফিজুর রহমান ও ননএমপিও শিক্ষক সুশান্ত মন্ডলকে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অবৈধভাবে অন্তর্ভূক্ত করেছেন।
কলেজ অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান জানান, সভাপতি কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা করেন না। স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজ ভাই ও ননএমপিও শিক্ষক সুশান্ত মন্ডলকে অবৈধভাবে এডহক কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত করছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি মনোনীত বিদ্যোৎসাহী সদস্য এড. সৈয়দ রেজোয়ান আলী জানান, সভাপতি আমাকে কোন কিছু না জানিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে একাই এডহক কমিটিতে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করিয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সভাপতির বিরদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে এডহক কমিটিত বাতিলের আহবান জানান। এডহক কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন মোঃ মকসুদুর রহমানের কাছে ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনাদের সাথে কথা বলব না, বলে ফোন কেটে দেন।