সরকার শ্রমিকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে: শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী


প্রকাশিত : জুন ৩, ২০১৯ ||

পত্রদূত ডেস্ক: শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার। সরকার শ্রমিকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে শ্রমিকদের সকল সমস্যা দূর করা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে এ পর্যন্ত খুলনা অঞ্চলে বসবাসকারী শ্রমিকদের কল্যাণে প্রায় তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
তিনি রবিবার বিকেলে খুলনা বয়রাস্থ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে আহত, অসুস্থ্য শ্রমিক ও শ্রমিকদের পরিবারদের চিকিৎসা এবং তাদের মেবাধী সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বর্তমানে তিনশত ৬০ কোটি টাকা জমা রয়েছে। অদ্যাবধি প্রায় ২৫ কোটি টাকার বেশি আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক, বিধবা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা চালু করেছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জাতির পিতার নীতি ও আদর্শকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমজীবী মানুুষের জীবন-মান উন্নয়নে করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী। খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উল্লেখ্য, এই ফাউন্ডেশন থেকে উচ্চ শিক্ষায় অনধিক তিন লাখ টাকা, দূর্ঘটনা জনিত মৃত্যু অনধিক দুই লাখ টাকা, দূরারোগ্য ব্যধির চিকিৎসা অনধিক দুই লাখ, জরুরি চিকিৎসা ব্যয় অনধিক ৫০ হাজার টাকা, মৃতদেহ পরিবহন ও সৎকার অনধিক ২৫ হাজার টাকা এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মহিলা শ্রমিকদের মাতৃত্ব কল্যাণ সুবিধা অনধিক ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ৩৫ জনের মাঝে ১৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকার অর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেন।
সন্ধ্যায় প্রতিমন্ত্রী দৌলতপুরে বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন (বিজেএ) আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে যোগদান করেন। ইফতার পূর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।